মহাশূন্যে সবুজ গাছ গজিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেবে নাসা, টুইট-ভিডিও-য় নতুন আশা
মহাশূন্যে সবুজ গাছ গজিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেবে নাসা, টুইট-ভিডিও-য় নতুন আশা
সবুজায়ন সম্ভব মাটি ছাড়া! তাহলে তো মরুভূমি ছেয়ে যেত মরুদ্যানে। কিন্তু তা তো হয়নি। মরুভূমিতে গাছ না গজালেও, মহাকাশে এবার গাছ গজাবে। নাসার কল্যাণে সেই অসাধ্যসাধন হতে চলেছে। মহাকাশে গাছ হবে মাটি ছাড়াই। আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই অসম্ভবকে সম্ভভ করে দেখাবে। কীভাবে তা সম্ভব, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে নাসা।
|
মহাকাশে সবুজ গাছ গজিয়ে বিশ্বকে তাক লাগাবে নাসা
মহাকাশ গবেষণায় নাসা দ্রুত এগিয়ে চলেছে। চাঁদ, মঙ্গল, শুক্র বা অন্যান্য গ্রহের পাশাপাশি সূর্যতেও প্রবেশ করেছে নাসা। সেই কৃতিত্বের মধ্যে এবার মহাশূন্যে সবুজায়নের এক বিরল কীর্তি স্থাপন করতে চলেছে নাসা। মহাকাশে সবুজ গাছ গজিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেওয়াই নাসার মহাকাশবিজ্ঞানীদের লক্ষ্য।
|
মহাকাশ গবেষণায় জোয়ার আসবে নয়া উপাদানে
নাসা জানিয়েছে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের হাতে এসেছে মহাকাশ গবেষণার নতুন কিছু উপাদান। সেই উপাদান আমেরিকার মাটিতে পৌঁছচ্ছে সিগনাস স্পসক্রাফটের মাধ্যমে। মোট ৩ হাজার ৭৭৬ কোটি উপাদান হাতে পেয়েছে নাসা। তা থেকে মহাকাশ গবেষণায় জোয়ার আসবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। বহু অমূল্য তথ্য উঠে আসবে নতুন নতুন গবেষণায়।
|
যে পদ্ধতিতে মাটি ছাড়াই মহাকাশে গাছ তৈরি সম্ভব
এই গবেষণায় মহাশূন্য গাছ জন্ম দেওয়াও সম্ভব বলে জানিয়েছে নাসা। কীভাবে তা সম্ভব হবে? এই ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মহাশূন্য সবুজ গাছের জন্ম দেওয়া সম্ভব হাইড্রোফোনিক এবং এরোফোনিক টেকনিকের মাধ্যমে। এই পদ্ধতিতে মাটি ছাড়াই মহাকাশে গাছ তৈরি করা সম্ভব হবে বলে জানান নাসার গবেষকরা। সেই অসম্ভবকে সম্ভব করার লক্ষ্যেই তাঁরা এগোচ্ছেন।

মহাকাশে সবুজ গাছ গজানো সম্ভব, ভিডিও
নাসার পক্ষ থেকে টুইট করে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে মহাকাশে সবুজ গাছ গজানো সম্ভব। মহাকাশে মাটি ছাড়াই যে পদ্ধতিতে সবুজ ঘাস জন্মাবে, তা টুইটারে ভিডিও পোস্ট করেও দেখিয়েছে নাসা। সিগনাস স্পেসক্রাফটের ভিডিও দেখিয়ে নাসা বোঝাতে চেয়েছে মহাশূন্যেও জন্মাতে পারে গাছগাছালি।

মহাশূন্যে সবুজ গাছ জন্মানোই লক্ষ্য নয়
তবে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা এটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন মহাশূন্যে সবুজ গাছ জন্মানোই তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য নয়, এই যে উপাদান সংগ্রহ করা হয়েছে মহাকাশে, তা থেকে আরও বেশ কিছু গবেষণার দুয়ার খুলে যাবে। এই গবেষণায় বয়স্কদের ঝুলে পড়া চামড়াকে ফের তারুণ্য দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের সন্ধানও মিলবে বলে জানিয়েছে নাসা।

ইসিহাস সৃষ্টির পথে পাড়ি নাসার
নাসা এখন তাঁদের গবেষণাকে এখন একটা বিশেষ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার উপাদান হাতে পেয়ে গিয়েছে। এখন দেখরা তারা এই গবেষণায় কতটা সফলকাম হয়। তারা যদি এই গবেষণায় সাফল্য পায়, তবে তাঁদের সামনে মহাকাশ গবেষণায় বহু বন্ধ দুয়ার খুলে যাবে। এখন দেখার সেই ইসিহাস সৃষ্টি করতে পারে কি না নাসা!
ছবি সৌ:নাসা












Click it and Unblock the Notifications