নাসার আর্টেমিস-১ চাঁদে পাড়ি দেওয়ার আগেই বিপত্তি! ধাক্কা খেল নাসার অভিযান
ফের একবার ধাক্কা খেল নাসার অভিযান। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগ দ্বিতীয়বারও বিফল হল। চাঁদে এক নতুন রকেট পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল নাসা। সেই অভিযান বাতিল হয়ে গেল শেষ মুহূর্তে। একটি লিক দেখা দেওয়ায় বাতিল করে দিতে
ফের একবার ধাক্কা খেল নাসার অভিযান। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগ দ্বিতীয়বারও বিফল হল। চাঁদে এক নতুন রকেট পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল নাসা। সেই অভিযান বাতিল হয়ে গেল শেষ মুহূর্তে। একটি লিক দেখা দেওয়ায় বাতিল করে দিতে হল চন্দ্রাভিযান। আর্টেমিস-১ নামে ওই রকেট এ দিন মার্কিন সময় দুপুর ২ টো ১৭ মিনিটে ওড়ার কথা ছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের ঠিক ৭ ঘণ্টা আগে ধরা পড়েছে ওই লিক। আর এর পরেই বড়সড় সিদ্ধান্ত নাসার তরফে নেওয়া হয়।
নাসার তরফ থেকে ডেরল নেল স্থানীয় সময় ১১ টা ১৮ মিনিটে একটি লাইভ সম্প্রচারে অভিযান বাতিল হওয়ার কথা জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, নাসার ইঞ্জিনিয়াররা সর্বোতভাবে চেষ্টা করেছিলেন যাতে লিক মেরামত করা সম্ভব হয়। একাধিক পদ্ধতিতে সেই চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা। এরপর ৫ সেপ্টেম্বর ফের দিন নির্ধারন করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, তার মধ্যে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। আর তা সম্ভব হলেই ফের একবার সপ্নের পথে এগিয়ে যাবে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই মহাকাশ গবেষনা সংস্থা।
নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামের প্রথম রকেট ছিল এই আর্টেমিস-১। এই প্রোগ্রামের লক্ষ্য, ২০২৫ সালে মহাকাশচারীদের চাঁদে নিয়ে যাওয়া। আর্টেমিস-১ রকেটটি একবার চাঁদে পৌঁছে গেলে, সেখানেই ঘোরাফেরা করবে ১ মাস। এরপর ক্যালিফোর্নিয়ার কাছে প্রশান্ত মহাসাগরে এসে পড়বে সেটি। সোমবারও যদি সাফল্য না আসে, তাহলে মঙ্গলবার চেষ্টা করবে নাসা। রকেটটি মাটি থেকে উড়তে সময় লাগবে মাত্র ২৪ মিনিট। তবে এটি ঠিকঠাক ভাবে কাজ করলে মহাকশ গবেষণাতে একটা নয়া দিক খুলে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
২৯ অগস্ট প্রথমবার এই রকেট ওড়ানোর চেষ্টা হয়। কিন্তু কোনও বিশেষ কারণে সে দিনও যাত্রা স্থগিত হয়ে যায়। এরপর শনিবার দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। মহাকাশে যাতে জ্বালানি কম খরচ হয়, সে কথা মাথায় রেখেই এই সময়গুলি বেছে নিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ভারী রকেট ওড়াতে গেলে অনেক সমস্যা হতে পারে।
সাধারণত কোনও মহাকাশযানে সময় নির্ধারণ করার জন্য অনেক ভাবনা-চিন্তা করতে হয়। গন্তব্যে যাতে সবথেকে জ্বালানি খরচে পৌঁছনো যায়, সে দিকে নজর দেওয়া হয়। তাতে সাশ্রয়ও হয়। রকেট যত বেশি জ্বালানি বহন করবে, তত ভারী হবে।
আর তত বেশি জ্বালানি প্রয়োজন হবে বলেই খন।












Click it and Unblock the Notifications