ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করবেন মোদী! জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে হবে বৈঠক
রুশ হামলায় বিধ্বস্ত ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী! আসন্ন জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে উভয় দেশনেতার মধ্যে বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আর তা যদি হয়, সেটা হবে ইউক্রেনে রুশ হামলার পর প্রথম বৈঠক।
এবার জাপানের হিরোশিমাতে বসছে জি ৭-এর শীর্ষ সম্মেলন। সেই সম্মেলনেই সাক্ষা হওয়ার কথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হিরোশিমায় এই শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ করে রাশিয়া। তারপর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম বৈঠক করতে চলেছেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী মোদী হিরোশিমার উদ্দেশ্যে নয়াদিল্লি থেকে রওনা হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেই আসে এই বৈঠকের খবর।
মস্কোর উপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে এই কূটনৈতিক চাল দেওয়া হয়েছে। শীর্ষ সম্মেলনে রাশিযা-বান্ধব বিশ্ব নেতারা নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার প্রত্যাশিত ভূমিকা নেবেন বলে আশাবাদী জেলেনস্কি। তবে এই বৈঠক কবে কীভাবে হবে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি

বৈঠকের প্রতিবেদন বা বিস্তারিত জানতে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা যায়নি। ভারতকে অতিথি দেশ হিসেবে জি-৭ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভলোদিমির জেলেনস্কিরও রবিবার সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা।
এই সম্মেলনে তাঁর উপস্থিতি এবং রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের ফল তাকে কীভাবে ভুগতে হচ্ছে বা হয়েছে, তার প্রতি বৃহত্তর সমর্থন আদায়ের জন্য তাঁর আহ্বান আলোচনা। এই বৈঠকে বিশ্বের ধনী গণতন্ত্রের নেতৃবৃন্দ রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কি না, সেটাই দেখার।

আশা করা হচ্ছে জি-৭ সম্মেলনে মস্কোর বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হবে। চিনের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রভাব মোকাবিলায় তারা পরস্পর সহযোগী হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের জন্য ভারত তার পুরানো মিত্র রাশিয়া নিয়ে কী অবস্থান নেয়, তা প্রকট করবে এই বৈঠক।
ভারত অন্যান্য অনেক দেশের মতোই রাশিয়ার সমালোচনা করেনি। এর ফলে রাশিয়ার তেল ক্রয় বাড়িয়েছে। নয়াদিল্লি সংঘর্ষের একটি কূটনৈতিক সমাধান চেয়েছিল। ভারতের পক্ষ থেকে সরাসরি যুদ্ধ নিয়ে কিছু বলা না হলেও প্রধানমন্ত্রী মোদী রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সমালোচনা করেছিলেন।
নিজেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টেক মৃদু সমালোচক হিসাবে দেখা গিয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে বলেছিলেন, এখন 'যুদ্ধের যুগ' নয়। তারপরও কিন্তু রাশিয়া পিছু হটেনি। সমানে ইউক্রেনের উপর হামলা চালিয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications