বিপদ জেনেও দেশ ছাড়েননি Mursal Nabizada-! প্রাক্তন আফগান সাংসদের মৃত্যুতে গর্জে উঠছে টুইটার
আফগানিস্তানের মাটিতে তালিবান ফিরতেই ফের রঙ দেখাতে শুরু করেছে তাঁরা! যত সময় যাচ্ছে ততই সে দেশে মহিলাদের উপর একের পর এক বিধি নিধেধ জারি করা হচ্ছে। যদিও ক্ষমতায় ফেরার পরপরেই তালিবানের তরফে মহিলাদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়ে
আফগানিস্তানের মাটিতে তালিবান ফিরতেই ফের রঙ দেখাতে শুরু করেছে তাঁরা! যত সময় যাচ্ছে ততই সে দেশে মহিলাদের উপর একের পর এক বিধি নিধেধ জারি করা হচ্ছে। যদিও ক্ষমতায় ফেরার পরপরেই তালিবানের তরফে মহিলাদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছিল। পড়াশুনা থেকে শুরু করে কাজকর্মে সবেতেই মহিলাদের সুযোগের কথা জানানো হয়।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই কালো বোরখার আড়ালেই হারিয়ে যাচ্ছে আফগানিস্তানের মহিলারা। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আর এর মধ্যেই কাবুলের বুকে ফের এক ঘটনা কাঁপিয়ে তুলেছে বিশ্বকে।

মহিলা সাংসদকে গুলি করে খুন
আর এই অবস্থায় প্রাক্তন মহিলা সাংসদকে গুলি করে খুন করল তালিবানরা। শুধু ওই মহিলাকেই নয়, তাঁর দেহরক্ষীকেও গুলি করে মারা হয়েছে বলে খবর। মৃত ওই মহিলার নাম Mursal Nabizada। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে। জানা যাচ্ছে, অগাস্ট ২০২১ সালে সে দেশের ক্ষমতায় ফেরার পর Mursal Nabizada-একজনই মহিলা সাংসদ ছিলেন যিনি কাবুলে থেকে গিয়েছিলেন। বাকি সমস্ত মহিলা সাংসদরা দেশ ছাড়লেই তিনি থেকে গিয়েছিলেন।

অনেকেই Mursal-এর সাহসীকতার কথা তুলে ধরেছেন।
রবিবার ভয়ঙ্কর এই হামলার ঘটনা ঘটে। কার্যত অতর্কিত হামলাতেই মুর্শালের ভাই এবং আরও এক সুরক্ষাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে Mursal Nabizada-এর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকস্তব্ধ তাঁর সহযোগীরা। বিশেষ করে যারা তালিবানের ভয়ে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন তাঁদের অনেকেই শোকপ্রকাশ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনেকেই Mursal-এর সাহসীকতার কথা তুলে ধরেছেন। সহযোদ্ধারা বলছেন, Mursal এমন এক মহিলা যিনি কিনা তালিবানি শাসনের ভয়ে দেশ ছাড়তে চাননি। বরং সেখানে থেকেই সমস্ত কিছু বদলের আশা করেছিলেন। আর সেই স্বপ্নেই জল ঢেলে দিল সেই তালিবানই।

সত্যিকারের একজন পথ প্রদর্শক।
অন্যদিকে প্রাক্তন বিধায়ক মরিয়ম সোলেইমানখিল জানাচ্ছেন, Nabizada-সত্যিকারের একজন পথ প্রদর্শক। মজবুত এবংস স্পষ্টভাষী মহিলাদের মধ্যে পড়েন অবশ্যই। শুধু তাই নয়, বিপদ জেনেও অবিচল ছিলেন Mursal Nabizada-! তাঁর বিশ্বাসের সঙ্গেই ছিলেন বলে লিখছেন মরিয়ম। বলে রাখা প্রয়োজন, সময় যত গড়িয়েছে ততই মহিলাদের একঘরে করে দিয়েছে তালিবানরা। প্রশাসন সহ সার্বজনিক সমস্ত জায়গা থেকেই আজ মহিলারা আউট সে দেশ। যদিও কাবুল পুলিশ জানাচ্ছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই নাকি দোষী ধরা পড়বে! তবে কে বা কারা দোষী তা অবশ্য আফগান পুলিশ স্পষ্ট করেনি।












Click it and Unblock the Notifications