অর্ধেকের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত, উদ্বেগ বাড়ছে সিঙ্গাপুর সরকারের
অর্ধেকের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত, উদ্বেগ বাড়ছে সিঙ্গাপুর সরকারের
ফাইজারের কোভিড–১৯ ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার। এর ঠিক একদিন পর বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে যে স্থানীয় সংক্রমণে কোনও নতুন কেসের রিপোর্ট আসেনি। যদিও করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিযায়ী শ্রমিকদের আক্রান্ত করায় উদ্বেগে রয়েছে সরকার। সাম্প্রতিক তথ্যে জানা গিয়েছে, গত নয় মাসে পরিযায়ীদের মধ্যে অর্ধেক কোভিড–১৯–এ আক্রান্ত হয়েছেন।

১৫২,০০০–এর বেশি পরিযায়ী শ্রমিক আক্রান্ত
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা তথ্যে জানা গিয়েছে যে ৩২০,০০০ পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে, যাঁরা ডর্মিটরিসে থাকেন, তাঁদের মধ্যে ১৫২,০০০-এর বেশি পরিযায়ী শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ১৩ ডিসেম্বর ৫৪ হাজারের বেশি ডর্মিটরিতে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকরা পলিমেরাস চেইন রিয়্যাকশন (পিসিআর) টেস্টের মাধ্যমে কোভিড-১৯ পজিটিভ সনাক্ত হন। অন্যদিকে ৯৮,২৮৯ জনের করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে সেরোলজি টেস্টে। স্বাভাবিক পিসিআর করোনা ভাইরাস টেস্ট সনাক্ত করে এক ব্যক্তির বর্তমান করোনা আক্রান্তকে এবং সেরোলজি টেস্টের মাধ্যমে ধরা পড়ে ব্যক্তি অতীতে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন কিনা।

পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকার জায়গায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে অগাস্টে জানানো হয়েইল যে ডর্মিটরিসে থাকা বিদেশি শ্রমিকদর কমপক্ষে একবার করে করোনা টেস্ট করানো হয়েছে। কোভিড-১৯ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিযায়ী শ্রমিকদের আশ্রয়স্থানে ঘটেছিল, যেখানে তাদের সাম্প্রদায়িক জীবনযাত্রার কারণে করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এও জানানো হয় যে ভাইরাসটি অত্যন্ত সংক্রমক প্রকৃতির হওয়ার কারণে স্বাস্থ্য ও সামাজিক দূরত্বের ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রক কাজ করছে
মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা ডর্মিটরিসগুলির পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য দ্রুত ও সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করছি। ডর্মিটরি পরিচালক, কর্মী , মেডিক্যাল আধিকারিক, স্বেচ্ছাসেবী ও অন্যান্য সম্প্রদায় দলগুলির সঙ্গে আমরা খুব কাছ থেকে কাজ করছি, আমরা ভাইরাসের প্রকোপটি কমাতে ডর্মিটরিকে ভাইরাস মুক্ত করব।'

২৫ জন আইসিইউতে, মৃত্যু ২ জনের
সম্প্রতি পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডর্মিটরিতে বসবাসরত পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে ২৫ জন আইসিইউতে ভর্তি হয়েছিল এবং সংক্রমণের কারণে দু'জন মারা গেছে। মন্ত্রক জানিয়েছে যে মহামারির মাত্রা থাকা সত্ত্বেও পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে অসুস্থতা ও মৃত্যুর হার খুব কম। তাঁরা পুনরায় সুরক্ষার সঙ্গে কাজেও ফিরছেন।












Click it and Unblock the Notifications