সপ্তাহে ৩ দিন ছুটি ‘চালু’ কর্মীদের! পরীক্ষামূলক সিদ্ধান্তে তাক লাগানো উৎপাদন
সপ্তাহে তিনদিন ছুটি চালু করেছিল কোম্পানি। পরীক্ষামূলকভাবে এই সিদ্ধান্তের পরই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জাপানের মাইক্রোসফট কোম্পানি।
সপ্তাহে তিনদিন ছুটি চালু করেছিল কোম্পানি। পরীক্ষামূলকভাবে এই সিদ্ধান্তের পরই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জাপানের মাইক্রোসফট কোম্পানি। কর্মীদের সপ্তাহে ৩ দিন ছুটি দিয়েও ৪০ শতাংশ উৎপাদন বাড়িয়ে মাইক্রোসফট নজির তৈরি করেছে। শনি ও রবিরারে সঙ্গে শুক্রবারও এই ছুটি চালু করে লাভকে উচ্চে তুলে নিয়ে যেতে সফল সংস্থাটি।

তিনদিনের ছুটি ঘোষণা
জাপানের মাইক্রোসফট এই তিনদিনের ছুটি ঘোষণার পর আশঙ্কাই ভিড় করেছিল অধিকাংশের মনে। একসঙ্গে ২ হাজার ৩০০ কর্মীকে সপ্তাহে তিনদিন ছুটিতে পাঠিয়ে কী লাভ করতে পারবে সংস্থা, তা নিয়ে দোলাচলে ছিল অনেকেই। শেষমেষ তাঁদের আশঙ্কা উড়িয়ে লাভের মুখ দেখল মাইক্রোসফট।

অগাষ্টে চমকপ্রদ ফল
অগাস্ট মাসের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তারপর খতিয়ে দেখা হল অগাষ্টে চমকপ্রদ ফল করেছে মাইক্রোসফট। দেখা গেল, উৎপাদন বেড়েছে ৪০ শতাংশ। একইসঙ্গে বিভিন্ন খাতে খরচ কমে সাশ্রয় হয়েছে ২৩ শতাংশ। অর্থাৎ একদিক দিয়ে লাভ করেছে সংস্থা, অন্যদিকে দিয়ে সাশ্রয় করেছে।

‘ওয়ার্ক-লাইফ চয়েস চ্যালেঞ্জ সামার-২০১৯'
অগাস্ট মাসে কর্মসংস্কার প্রকল্পের অংশ হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে এক মাসের জন্য এই পদ্ধতি প্রযোগ করা হয়েছিল। এই কর্মসংস্কারের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ওয়ার্ক-লাইফ চয়েস চ্যালেঞ্জ সামার-২০১৯'। এই কর্মসংস্কার শেষে দেখা যায় কোম্পানি লাভ করেছে ৩৯.৯ শতাংশ। আর কর্মীদের অতিরিক্ত ছুটি নেওয়া কমে গিয়েছে ২৫.৪ শতাংশ। আবার সাশ্রয়ও হয়েছে।

কর্মসংস্কারের আরও কয়েকটি পদ্ধতি
আরও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কর্মসংস্কারের উদ্দেশ্যে। মিটিংয়ের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়। ভিডিও কনফারেন্সে করা হয় জরুরি মিটিং। এই সাফল্যের পর ফের এমন কর্মসূচি নিতে চাইছে মাইক্রোসফট। তবে এই সংস্থার সঙ্গে একমত নয়, অনেক আন্তর্জাতিক বা বহুজাতিক সংস্থা। যেসব সংস্থায় সাতদিন চালু রাখা হয়, সেখানে কর্মীদের সপ্তাহে তিনদিন ছুটি দেওয়া প্রায় অসম্ভব।












Click it and Unblock the Notifications