অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে বিমানের যাত্রীদের হত্যা করেছিলেন এমএইচ ৩৭০-র পাইলট
এমএইচ ৩৭০ নিখোঁজের পরতে পরতে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কুয়ালা লালামপুর থেকে বেজিং যাওয়ার পথে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল বিমানটি। বিমানের এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এই নিয়ে তদন্ত চলছে।
এমএইচ ৩৭০ নিখোঁজের পরতে পরতে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কুয়ালা লালামপুর থেকে বেজিং যাওয়ার পথে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল বিমানটি। বিমানের এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এই নিয়ে তদন্ত চলছে। যাঁরা বিমানের খোঁজ করছেন তাঁরাই জানিয়েছেন, বিমান ভেঙে পড়বে জেনেই পাইলট কেবিনের অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেন। যাতে ধীরে ধীরে যাত্রীরা সকলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ক্যাপ্টেন জাহারি আহমেদ শাহ তখন একাই ছিলেন চালকের আসনে। বিপদ ঘটবে বুঝতে পেরে একা একা অবসাদ গ্রস্ত হয়েই এই পদক্ষেপ করেছিলেন তিনি। বিমানটিতে ২৩৯ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের সকলেরই মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হয়ে থাকে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন বিমান যখন ১৩,০০০ ফুট উঁচুতে তখন এই ঘটনাটি ঘটিয়েছিলেন পাইলট। কারণ তিনি জানতেন এই উচ্চতায় অক্সিজেন মাস্ক পড়েও ১৫ মিনিটের বেশি শ্বাস নেওয়া যায় না। সেই সময় অতিক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা নেতিয়ে পড়েন। একই সঙ্গে বিমানের তেলও শেষ হয়েগিয়েছিল।
২০১৪ সালে ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যায়। আজও তার কোনও হদিশ নেই। তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তার সন্ধান মেলেনি। এমনকী তদন্তকারীরা ভারত মহাসাগরের ১২০,০০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়েও কোনও সন্ধান পাননি।












Click it and Unblock the Notifications