Mexico Border: অবৈধ অভিবাসীদের বাড়ি পাঠানোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, মেক্সিকোর সীমান্ত শহরে জরুরি অবস্থা জারি
Mexico Border: মসনদে বসেই আমেরিকায় অনুপ্রবেশ (Infiltration) সমস্যা মোকাবিলায় একাধিক বিস্ফোরক ঘোষণা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মেক্সিকো সীমান্তে অবৈধ অভিবাসীদের (Migrants) হঠিয়ে গণ প্রত্যর্পণের (Mass Deportation) ব্যবস্থা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সেকথা মাথায় রেখেই মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় জরুরি অবস্থার (Emergency) ঘোষণা করা হয়েছে। আর যার জেরে অভিবাসীদের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কায় তিজুয়ানা।
ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়োগোর সীমান্তে অবস্থিত তিজুয়ানায় কম করে ৩০টিরও বেশি অভিবাসীদের আশ্রয় শিবির রয়েছে। ওই সমস্ত শিবিরে সবার থাকার অসুবিধা তো রয়েছেই, তাছাড়াও সম্পদের অপ্রতুলতা ও সার্বিকভাবে বিভিন্ন অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে দাবি করছেন সমাজেসবকরা। তিজুয়ানার অনেকই আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্পের এই অভিবাসীদের ঘরে পাঠানোর হুঁশিয়ারির জেরে লাফিয়ে বাড়বে শরণার্থীদের সংখ্যা।

ক্যাসা ডেল অভিবাসী শিবিরের দায়িত্বে থাকা প্যাট মুরফির মতে, ঠিক কী হতে চলেছে, তা আঁচ করাই শিবিরগুলির কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রেখেছেন বলে জানান তিনি। শয়ে শয়ে শরণার্থী এসে মেক্সিকো সীমান্তের এই এলাকায় ভিড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তারা। যদিও এখনই উদ্বেগ না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিজুয়ানার মেয়র ইসমাইল বুরগিয়ানো।
সোমবার মার্কিন ক্যাপিটলে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের গণ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করার হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, "লক্ষ লক্ষ ভিনগ্রহী অপরাধীদের ধরে তাদের জায়গায় ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া খুব শীঘ্ই আমরা শুরু করতে চলেছি।" অনুপ্রবেশের সমস্যা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণে মেক্সিকো সীমান্তে ন্যাশনাল এমার্জেন্সিও ঘোষণা করেন ট্রাম্প।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমান্ত সিল করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। স্রেফ তাই নয়, মেক্সিকো সীমান্তে সেনা বাহিনী পাঠিয়ে মাদক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস করা হবে বলে জানান ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ফলে মানবিক সংকট দেখা দেবে বলে মত অভিবাসী শিবিরের দায়িত্বে থাকা ডিরেক্টরদের। স্থানীয় প্রশাসনকে এব্যাপারে উদ্যোগী হতে আহ্বান জানিয়েছেন তারা। শুধু খাদ্য বা বাসস্থানের সমস্যা নয়, অভিবাসীদের মানসিকভাবে সাহায্য করাটাই চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন তারা।
যদিও তিজুয়ানা শহরে বর্তমানে ঠিক কত শরণার্থী রয়েছেন তা স্পষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। সরকারি হিসেব বলছে, জানুয়ারি থেকে অগাস্টের মধ্যে ৩০ হাজারেরও বেশি শহরে শরণার্থী ছিল। সূত্রের খবর, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর আগাম প্রস্তুতি সারছে মেক্সিকোর সরকার। সীমান্ত শহরে নতুন শিবির তৈরিতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দলে দলে অভিবাসীদের ফিরে আসার অপেক্ষায় মেক্সিকো।












Click it and Unblock the Notifications