মৃত্যু মিছিল থামছে না তুরস্ক-সিরিয়ায়, ভূমিকম্পের গ্রাসে ৫০০০-র বেশি প্রাণ, গুঁড়িয়ে গিয়েছে ৬ হাজার বহুতল

আবারও শক্তিশালী আফটারশকে কাঁপল তুরস্ক

ধ্বংসস্তূপের পরতে পরতে যেন পড়ে রয়েছে দেহ। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে তত বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। তুরস্ক এবং সিরিয়া মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৫০০০-র বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন বলে খবর পাওয়া িগয়েছে। প্রবল তুষারপাত এবং বৃষ্টি চলছে তুরস্কে যার জেরে উদ্ধারকাজ ব্যহত হচ্ছে।

মৃতের সংখ্যা ৫০০০ ছাড়িয়েছে

মৃতের সংখ্যা ৫০০০ ছাড়িয়েছে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক-সিরিয়া। ভয়বহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা দেশে। একের পর এক ভয়াবহ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা দেশে। ড্রোনের মাধ্যমে যেসব ছবি তোলা হয়েছে, তাতে ভয়াবহ পরিস্থিতি প্রকাশ্যে এসেছে। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে তত দেহের স্তূপ বেরিয়ে আসছে। ইতিমধ্যেই সিরিয়া এবং তুরস্কে মৃতের সংখ্যা ৫০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তুরস্ক-সিরিয়ায়।

৬০০০ বহুতল গুঁড়িয়ে গিয়েছে

৬০০০ বহুতল গুঁড়িয়ে গিয়েছে

গতকাল থেকে তীব্র ভূমিকম্পে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তুরস্কে। প্রায় ৬০০০ বহুতল গুঁড়িয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তুরস্কের দক্ষিণভাগের এক মাত্র বিমানবন্দর একেবারে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। রানওয়ের রাস্তা এফোঁড় ওফোঁড় হয়ে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই সব ছবি ভিডিও। ঘটনার পর একাধিকবার আফটার শক হয়েছিল তুরস্কে। মঙ্গলবার সকালে আবারও অনুভূত হয়েছে ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৬। একাধিক জায়গা প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে।

আগেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল

আগেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল

তুরস্কে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস নাকি আগেই দিয়েছিলেন ডাচ গবেষক। একেবারে দিন জানিয়ে টুইট করেছিলেন। তুরস্কের এক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে সেই টুইট। তাতে বলা হয়েছিল ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক, লেবানন, সিরিয়া রিজিয়নে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হবে। ঠিক সেটাই হয়েছে। কিন্তু তাঁর টুইটের কেউ আমোল দেয়নি। ৩ ফেব্রুয়ারি টুইটে জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে কি ভূমিকম্পেরও পূর্বাভাস দেওয়া যায়।

কেন এতো মৃত্যু

কেন এতো মৃত্যু

তুরস্ক এবং সিরিয়া, লেবাননে যে ভূমিকম্প হয়েছে তার মাত্রা ছিল ৭.৪ থেকে ৭ ৯। পর পর ৭০বার তার আফটারশক হয়েছে। তবে যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাতে এর থেকে বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে বলেই মনে হবে। গবেষকরা দাবি করেছেন যে বাড়িগুলি গুঁড়িয়ে গিয়েছে তার নির্মাণ পোক্ত ছিল না। এর থেকেই স্পষ্ট। কারণ যদি ভূমিকম্পের তীব্রতা ভয়াবহ হওয়ার কারণেই বাড়ি গুঁড়িয়ে যেত তাহলে গোটা শহর নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। কিন্তু তা হয়নি। সেকারণে এর থেকে একটা বড় শিক্ষা নিতে হবে গোটা বিশ্বকে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+