Mark Carney: আমেরিকার সঙ্গে 'ট্যারিফ যুদ্ধে'র মধ্যেই নয়া প্রধানমন্ত্রী পেল এই দেশ! কোন দিকে ঘুরবে এবার খেলা?
Mark Carney sworn: কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কার মার্ক কার্নির (Mark Carney)। আমেরিকার সঙ্গে কার্যত চরমে উঠেছে 'ট্যারিফ যুদ্ধ'। ইতিমধ্যে আমেরিকাকে এই বিষয়ে সতর্কও করেন। যা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্কে। এর মধ্যেই আজ শুক্রবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন মার্ক। এখন দেখার কীভাবে আমেরিকাকে সামাল দেন তিনি। এটাই মার্কের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
শুধু তাই নয়, কানাডা এবং ভারতের সম্পর্ক কোনদিকে মোড় নেয় সেদিকেও নজর সবার। বছরের শুরুতেই অর্থাৎ জানুয়ারিতে জাস্টিন ট্রুডো প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর থেকেই জল্পনা তৈরি হয় কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন। কার হাতে যাচ্ছে দেশের ক্ষমতা। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটে গত রবিবার।

ভোটাভুটি শেষে লিবারেল পার্টির নেতা হিসাবে মার্ক কার্নিকে (Mark Carney sworn) বেছে নেওয়া হয়।ট্রুডোর ইস্তফার পর থেকেই উপ-প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের নাম জল্পনায় ছিল। কিন্তু ভোটাভুটিতে মাত্র আট শতাংশ ভোট পান তিনি। প্রাক্তন ব্যাঙ্কারের উপর অনেক বেশিজন ভরসা রাখেন। বিপুল ভোটে জয় পান মার্ক। এরপরেই আজ শুক্রবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তিনি।
Mark Carney sworn: কে এই মার্ক কার্নি?
কানাডার রাজনীতিতে একেবারে ধূমকেতুর মতো উত্থান ঘটেছে মার্ক কিনির (Who Is Mark Carney) । ৫৯ বছর বয়সের মার্ক একজন সে দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ হিসাবে পরিচিত। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ সময় ব্যাঙ্ক অফ কানাডার প্রাক্তন গভর্নর হিসাবে কাজ করেছেন।
২০০৮ সালে আর্থিক সংকটের সময় ব্যাংক অফ কানাডার গভর্নর ছিলেন। সেই সময় দায়িত্ব নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। সঙ্কট থেকে কানডাকে রক্ষা করেন। অন্যদিকে দীর্ঘ সময়ে ব্যাঙ্ক অফ ইংল্যাণ্ডের গভর্নর হিসাবেও কাজ করেছেন মার্ক। এখন দেখার কীভাবে দেশ চালান। বিশেষ করে যখন একাধিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে সে দেশের সামনে।












Click it and Unblock the Notifications