Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মাহসা আমিনি: তেহরানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার পার্কে আটকে পড়েছে বহু শিক্ষার্থী

মাহসা আমিনি: তেহরানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার পার্কে আটকে পড়েছে বহু শিক্ষার্থী

বিক্ষোভকারীরা
Getty Images
বিক্ষোভকারীরা

ইরানের পুলিশের সঙ্গে দেশটির একটা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হওয়ার খবর রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং সোশাল মিডিয়ায় পাওয়া যাচ্ছে।

খবর পাওয়া যাচ্ছে এক বিরাট সংখ্যাক শিক্ষার্থী তেহরানের শরিফ ইউনিভার্সিটির গাড়ি রাখার স্থানে আটকে পড়েছে।

সোশাল মিডিয়াতে যেসব ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে পুলিশের বন্দুকের গুলির কারণে ছাত্ররা দৌড়ে পালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বরে মাহসা আমিনি নামে ২২ বছরের এক তরুণী পুলিশের কাছে আটক এবং নির্যাতনের পর কোমায় চলে যায়।

নিরাপত্তা হেফাজতে ঐ তরুণীর মৃত্যুর পর থেকে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এই তরুণী পোশাক সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ভঙ্গ করেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।

পুলিশি হেফাজতে থাকার পর হাসপাতালে এই তরুণীর মৃত্যু ঘটে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে তাকে মারধরের অভিযোগ করা হয়, যে অভিযোগ কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করেছে।

পুলিশ বলেছে তার উপর কোন নির্যাতন করা হয়নি তার হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হয়।

আরো পড়ুন:

ইরানে নারীদের পোশাকের যেভাবে 'নৈতিকতা পুলিশের' নজরদারি

ইরান এবার বহু বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে

ইরানে কেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নারীর মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়?

ইরানের কর্তৃপক্ষ বলেছে যারা বিক্ষোভ করবে তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোকাবেলা করতে হবে
AFP
ইরানের কর্তৃপক্ষ বলেছে যারা বিক্ষোভ করবে তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোকাবেলা করতে হবে

তেহরানে ১৩ই সেপ্টেম্বর এই নৈতিকতা রক্ষা পুলিশ যখন মিজ আমিনিকে গ্রেপ্তার করে তখন হিজাবের তলা দিয়ে তার কিছু চুল দেখা যাচ্ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।

একটি আটক কেন্দ্রে তাকে নিয়ে যাবার অল্পক্ষণ পরই মাহসা আমিনি অজ্ঞান হয়ে যান এবং কোমায় চলে যান।

তিন দিন পর তিনি হাসপাতালে মারা যান। অফিসাররা তার মাথায় লাঠির বাড়ি মেরেছে এবং তাদের একটি গাড়িতে মিজ আমিনির মাথা ঠুকে দিয়েছে এমন অভিযোগ পুলিশ বাহিনী থেকে অস্বীকার করা হয়।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন তারা যদি এখনই এর বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়ান তাহলে একদিন তাদেরও একই ভাগ্য বরণ করতে হতে পারে।

বিক্ষোভ কারীরা তার শেষকৃত্যের দিন থেকে দেশজুড়ে প্রতিবাদ করে আসছে যেটা গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিক্ষোভ বলে ধরা হচ্ছে।

সোশাল মিডিয়ার একটা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে শরিফ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে ছাত্ররা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। দূর থেকে বন্দুকের গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।

অন্য একটা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটা গাড়িতে যারা বসে ভিডিও করছিল তাদের গুলি করতে মোটরবাইকে করে নিরাপত্তা বাহিনীর লোকেরা আসছে।

ইরান ইন্টারন্যাশনাল সাইটসের খবরে বলা হচ্ছে ছাত্রাবাসগুলোতে পুলিশ হামলা করেছে এবং গুলি করেছে।

অন্য একটা খবরে বলা হচ্ছে বিক্ষোভকারীদের উপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে।

তেহরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পরে
EPA
তেহরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পরে

রবিবার ছিল এমন একটা দিন যখন অনেক বিক্ষোভকারী ছাত্ররা প্রথমবারের মত সেখানে যায়।

খবরে বলা হচ্ছে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে সংঘর্ষের খবর শুনে একটু বেশি রাতের দিকে ক্যাম্পাসের প্রধান দরজায় বিক্ষোভকারীরা সমবেত হতে থাকেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘটনা বিবিসি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে পারেনি।

গত দুই রাতে তেহরান এবং দেশের অন্যান্য শহরগুলোতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে।

ইরান হিউম্যান রাইটস , নরওয়ে ভিত্তিক একটা এনজিও বলছে ইরানজুড়ে এখন পর্যন্ত ১৩৩জন নিহত হয়েছে।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:

ফুটবলের মাঠে ভয়াবহ সাতটি বিপর্যয় যেভাবে ঘটেছিল

নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেট - বাংলাদেশ দল কী অবস্থায় আছে

ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম কেন এত বেশি?

ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল স্টেডিয়ামে ব্যাপক মৃত্যুর তদন্ত শুরু

ইউরোপে কেন অতি-ডানপন্থী দলগুলোর উত্থান ঘটছে?

BBC
More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+