Manipur violence: ইউরোপের পার্লামেন্টে মণিপুর নিয়ে আলোচনা! আভ্যন্তরীণ বিষয় বলল ভারত
Manipur violence: মণিপুর প্রসঙ্গ এবার উঠল ইউরোপের পার্লামেন্টে! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই মুহূর্তে ফ্রান্স সফরে রয়েছেন। তিনি যখন প্যারিসে তখন ফ্রান্সেরই অন্য এক শহর স্ট্রাসবর্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। ভারতের সরকার যাতে যথাযথ পদক্ষেপ করে এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেয় সেই ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় কাতরা এই বিষয়টাতে পুরোপুরি ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উল্লেখ করেছে। ফলে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার বার্তাই দিয়েছেন বিনয়। এখনও পর্যন্ত মনিপুরে অন্তত ১৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে, ঘরছাড়া হয়েছেন অন্তত ৫৪ হাজার মানুষ।

ইউরোপিয় পার্লামেন্টের প্রস্তাবে বলা হয়েছে সরকার সংবাদমাধ্যমকে প্রবেশ করতে দেয়। ইন্টারনেটও যাতে চালু করা যায়। পাশাপাশি, প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা তুলে নেওয়া হয়। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যদের প্রস্তাব, ভারতের সঙ্গে যাতে মানবাধিকারের বিষয়ে কথা বলা হয়।
শুধুমাত্র মনিপুর নিয়ে নয়, পার্লামেন্টের সদস্যরা ভারতের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করে। এক সদস্য প্রধানমন্ত্রী মোদী ও তাঁর পলিসির কড়া সমালোচনাও করেন। পিয়ারে লারাটুর, নামে ইউরোপিয়ান এই সদস্য বলেন, ভারতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিৎ। সরকারের নীতির সমালোচনা করলেই তাঁকে অইপরাধী হিসাবে গণ্য করা উচিৎ নয় বলেও মন্তব্য করেছেন ওই সদস্য।
তাঁর দাবি, ভারত যাতে মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ সম্মান দেখায় সেই দাবি করা উচিৎ ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে। পিয়ারে লারাটুর বলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা কেউ বলছে না। ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। আর সেই গ্ণতন্ত্র যাতে আরও বেশি শক্তিশালী হয় সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলছেন ইউরোপিয়ান সদস্য।
বলে রাখা প্রয়োজন, মাসের পর মাস কেটে গেলেও এখনও অশান্ত মণিপুর। ভারী বুটের শব্দে ঘুম ভাঙছে মণিপুরের মানুষের। এই অবস্থায় সরকারের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। কেন মণিপুর শান্ত করা যাচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। এমনকি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যও দাবি করা হচ্ছে। আর এই রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই মণিপুর প্রসঙ্গ উঠল ইউরোপের পার্লামেন্টে! যা রীতিমত অস্বস্তি মোদীর কাছে।












Click it and Unblock the Notifications