নাম না জানা বান্ধবীর নাক ডাকা থামাতে পুলিশকে ফোন যুবকের

সন্ধেবেলায় আলাপ। কিঞ্চিত সুরাপান। সদ্য আলাপ হওয়া সুন্দরী বান্ধবীকে নিয়ে তুললেন একেবারে বাড়িতে। বেডরুমে। বন্ধ ফ্ল্যাটে রাত্রিবাস। এপর্যন্ত চলছিল বেশ। গোল বাধল ভোরের দিকে।
ঘড়ির কাটায় তখন ভোর চারটে। যুবতীর নাম ডাকার "শব্দদূষণে" নিজের বিছানা ছেড়ে কাউচেই আশ্রয় নিতে হল বেঞ্জামিন ডুডলসকে। অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে থাকতে না পেরে ঠিক ৪টে ২১ মিনিটে ৯১১ ডায়াল করে সটান ফোন করে বসলেন ওয়াওকেসা পুলিশ স্টেশনে। বললেন, 'মেয়েটির নাম জানি না। ট্রেনের মতো বিকট আওয়াজে নাক ডাকছে। শুয়ে আছে আমারই বিছানায়। যেভাবেই হোক এই নাক ডাকা থামান।'
স্লিপ অ্যাপনিয়া নামের রোগে আক্রান্ত,তাই জোরে নাক ডাকি, জানালেন যুবতী
গত ১০ নভেম্বর বেঞ্জামিন ডুডলস-এর এমনতরো কাতর অনুরোধে চক্ষু ছানাবড়া ওয়াওকেসা থানার কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারদের। এমনকি নিজের কথার প্রমাণ দিতে ওই যুবতীর নাসিকা গর্জনের আওয়াজও ফোনের ওপাড়ে থাকা অফিসারকে শোনাতেও চুক করেননি বেঞ্জামিন। ব্যস আর কী তড়িঘড়ি হাজির পুলিশ।
অনেক চেষ্টাচরিত্র করে অবশেষে ডেকে তোলা হল যুবতীকে। অসময়ে ঘুম থেকে ডেকে তোলায় যুবতীর চোখে-মুখে তখন বিরক্তি। পুলিশের কাছ থেকে তাঁর নাসিকা গর্জনে পুরুষবন্ধর শোচনীয় অবস্থার কথা শুনেও ঘুমের ঘোরেই যুবতীর উত্তর, "আমার স্লিপ অ্যাপনিয়া নামের একটি রোগ আছে। ওই জন্য একটু জোড়ে নাক ডাকাটা হয়।" ব্যস এই বলেই ফের বিছানাতেই শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন যুবতী।
পুলিশের দিকে অবাকদৃষ্টিতে তাকিয়ে বেঞ্জামিনের প্রশ্ন, এবার উপায়! পুলিশ আর কী করবে। বেঞ্জামিনকে জানিয়ে দিল, যুবতীকে বলপ্রয়োগ করে বাড়ি থেকে বের করা সম্ভব নয়। পুলিশ এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে না কারণ বেঞ্জমিন নিজেই তাঁকে বাড়িতে এনেছিলেন। তাই বেঞ্জামিনকে পুলিশের পরামর্শ, যুবতী নিজে যতক্ষণ না ঘুম থেকে উঠছে ততক্ষণ নিজের বিছানার মায়া ত্যাগ করে কাউচেই আশ্রয় নাও।












Click it and Unblock the Notifications