সিঙ্গাপুরে ছ'টি 'মউ' স্বাক্ষর মমতার, আশাবাদী ভবিষ্যৎ নিয়ে

বণিকসভার সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের তিনটি সুবিধা। প্রথমত, রাজ্যে জমির সঙ্কট নেই। চাইলেই ল্যান্ড ব্যাঙ্ক থেকে সেটা দিতে পারবে সরকার। দ্বিতীয়ত, অন্যান্য রাজ্যের থেকে বিদ্যুতের অবস্থা ভালো। ফলে বিদ্যুতের ঘাটতি পোহাতে হবে না শিল্পপতিদের। তৃতীয়ত, বাংলার ছেলেমেয়েরা মেধাবী ও দক্ষ। অথচ কলকাতা শহর মুম্বই, দিল্লি, ব্যাঙ্গালোরের মতো 'দামি' না হওয়ায় এখানে মানবসম্পদ সস্তা। ফলে শিল্পপতিদের মুনাফার পরিমাণ বেশি হবে।
তিনি আরও বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি নোডাল অফিস তৈরি করবে। এরা রাজ্যে বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়টি দেখবে। বিদেশি শিল্পপতিদের সহায়তা করবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠককে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি সবারই এক বক্তব্য, যেখানে জমির অভাবে রাস্তা সম্প্রসারণ পর্যন্ত আটকে রয়েছে বিভিন্ন জায়গায়, সেখানে জমির সঙ্কট নেই উনি বলেন কী করে?
মুখ্যমন্ত্রী গতকালই সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তাঁর সিঙ্গাপুর সফর ফলপ্রসূ হয়েছে। সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন গতকাল। কলকাতায় একটি ইনভেস্টমেন্ট সেন্টার খোলার ব্যাপারে তিনি আশ্বাস দেন সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্তাদের। পাশাপাশি, সিঙ্গাপুরের প্রাণপুরুষ লি কুয়ান ইউয়ের প্রতি সম্মান জানাতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আলাদা 'চেয়ার' গড়া হবে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications