বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ঘাঁটি তৈরি, বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে জামাত-আইএস, বিস্ফোরক তথ্য
বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপির জোট সঙ্গী। তবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে রায়ে জামাত-ই-ইসলামির নথিভুক্তি অবৈধ এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ অযোগ্য ঘোষণা করা হয় সেই ২০১৩-তে। এরপর নিরাপত্তার কারণে গত পয়লা অগাস্ট বাংলাদেশ সরকার এই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
কিন্তু শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে হওয়া বৈঠকে অংশ গ্রহণ করে জামাত, বিএনপি। বৈঠকে ছিল না আওয়ামি লিগ। আর সেনাপ্রধান বৈঠকের কথা বলতে গিয়ে প্রথম যে রাজনৈতিক দলের কথা উল্লেখ করে, তা হল এই জামাত।

- হাসিনার অপসারণে বড় ভূমিকা
তবে বর্তমানে বাংলাদেশে জামাত-ই-ইসলামির ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবিরকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাতে সব থেকে বড় ভূমিকে নিয়েছে এই ইসলামি ছাত্র শিবির।
- বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ঘাঁটি
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত বছর দুয়েকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি ছাত্র শিবির অনেক ক্যাডার নিয়োগ করেছে। তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উস্কানি দেওয়ার কাজ করেছে। বাংলাদেশে কোটা সংস্কারের দাবি যে যেসব ছাত্রছাত্রীরা রাস্তা নেমেছিল তাদের সংগঠকদের অন্যতম ছিল ইসলামি ছাত্র শিবির।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গির বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত ইসলামি ছাত্র শিবিরের দুর্গে পরিণত হয়েছে। কলেজগুলিতেও তাদেরই আধিপত্য।
বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ১০ বছরে যত ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়েছে, অনেকগুলিতে ইসলামি ছাত্র শিবির জয়ী হয়েছে। ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি এই সংগঠন মাদ্রাসার কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।
- ভারতেও ঘাঁটি তৈরির চেষ্টা
গত কয়েক বছরে ভারতে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান হোক কিংবা মুর্শিদাবাদ, যড়যন্ত্রের কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে অনেক জেএমবি সদস্যকে। এদের বেশিরভাগই বাংলাদেশের জামাত-ই-ইসলামির সঙ্গে যুক্ত।
ভারত বিরোধী প্রচার
কয়েকমাস আগে মালদ্বীপে যেমন ভারতী বিরোধী প্রচার শুরু হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশেও ভারত বিরোধী প্রচার চলেছে। ভারতের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার দাবি এর পিছনে রয়েছে ইসলামি ছাত্র শিবির।
- পিছনে রয়েছে আইএসআই
তবে বাংলাদেশের জামাত-ই-ইসলামির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর। আইএসআই বাংলাদেসের ছাত্র আন্দোলনে সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানি দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভারতের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার। এব্যাপারে তাদের হাতে প্রমাণও রয়েছে।
গত কয়েকদিনে বাংলাদেশ সরকার বিরোধী সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকশো পোস্ট করা হয়েছে। এর অনেকগুলি পাকিস্তান থেকে করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পিছনে অবশ্যই ইসলামি ছাত্র শিবির। যাদের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশে হিংসা উস্কে দেওয়া এবং ছাত্রবিক্ষোভকে রাজনৈতিক আন্দোলনে নিয়ে যাওয়া।
- রয়েছে আইএসআইসও
গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির পিছনে রয়েছে আইএসআইএসও। তাদের সহয়তার লন্ডনে বসে বাংলাদেশের শাসক পরিবর্তনের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি হয়।
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় সরকার দাবি করেছিল বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়ার ছেলে তারিক রহমানের সঙ্গে আইএসআই ছাড়াও আইএসআইএসের যোগাযোগ রয়েছে। এব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে তাদের কাছে।












Click it and Unblock the Notifications