বিশ্বের অন্যতম ধনী শহর নিউইয়র্কের রাস্তায় সামান্য খাবারের প্রত্যাশায় দেখা গেল লম্বা লাইন
বিশ্বের অন্যতম ধনী শহর নিউইয়র্কের রাস্তায় সামান্য খাবারের প্রত্যাশায় দেখা গেল লম্বা লাইন
করোনার কামড় ক্রমেই আরও বিধ্বংসী চেহাড়া নিচ্ছে গোটা আমেরিকাতেই। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। করোনার থাবায় ক্রমেই েন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সেরা শহর নিউইয়র্কও।

ক্রমেই মৃত্যুপুরীতে পরিণত হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম ধনী শহর
এদিকে ইতিমধ্যেই গোটা আমেরিকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লক্ষ ছাড়িয়েছে। সেই সঙ্গে মৃতের সংখ্যা ৮৩ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। এমতাবস্থায় শ্রী হারিয়ে ক্রমেই ম্রিয়মান হয়ে পড়ছে বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধশালী শহর নিউইয়র্কও। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) প্রকাশিত এক সমীক্ষা এই শহরে করোনা সংক্রমণের আরও ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরেছে।

করোনা সঙ্কটের মাঝে এবার খাবারের জন্য লাইন নিউইয়র্কেও
করোনা সংক্রমণে শুধুমাত্র নিউইয়র্কেই ২৪ হাজার মানুষের মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান সিডিসির। এদিকে লকডাউনের জেরে ক্রমেই ভেঙে পড়চে দেশের অর্থব্যবস্থা। কাজ হারিয়ে বেকার হয়েছেন প্রায় ৪ কোটির কাছাকাছি মানুষ। এই তীব্র সঙ্কটে এবার বিশ্বের অন্যতম সেরা তথা ধনী শহর নিউইয়র্ক এর রাস্তায় সামান্য খাবারের প্রত্যাশায় লম্বা লাইন দেখা গেল।

কাজ হারিয়ে পথে বসার জোগাড় লক্ষাধিক মানুষ
গত মাস থেকেই অসংগঠিত ক্ষেত্রে গোটা আমেরিকার অজস্র রেস্তোরাঁর কর্মী, দিনমজুররা কাজ হারিয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। খাবারের প্রত্যাশায় দাঁড়িয়ে থাকা আলফ্রেড মারিনও সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে বর্তমানে তার তীব্র অর্থকষ্টের কথা জানান। গত মাসেই কর্মক্ষেত্র থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে তাকে। এতদিন ভাড়া ঘরে থেকে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। চাকার অভাবে সেটাওো কতদিন থাকবে তা বুঝতে পারছেন তিনি।

ভেঙে পড়ছে আমেরিকায় বিলাসবহুল জীবনের স্বপ্ন
আলফ্রেডের মতোই শয়ে শয়ে নিউইয়র্কবাসীকে এদিন এক টুকরো স্যান্ডউইচ, শুকনো খাবার ও অল্প কিছু পানীয়ের অপেক্ষায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেল। যদিও এই দুঃখ-দুর্দশার মধ্যেও অনেকের কথাতেই শোনা গেল সম্প্রীতির সুর। এই কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর বার্তাও দিলেন অনেকে। নিউইয়র্কেই অনেক ধনী পরিবারই ইতিমধ্যেই করোনা বিধ্বস্ত শহর ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি দিয়েছেন। কিন্তু মধ্যবিত্ত শ্রেণির একটা বড় অংশই করোনা ভয়কে সঙ্গে নিয়েই জনবহুল হাউসিং কমপ্লেক্স গুলিতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications