Bangladesh: পেট্রাপোল হয়ে ঘরে ফেরার হিড়িক, বাংলাদেশে ধৃত আরও ৩ সন্ন্যাসী; সন্ত্রাসের সাক্ষী বেলঘরিয়ার যুবক
Bangladesh Unrest: হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুর (Chinmoy Prabhu) গ্রেফতারিতে উত্তাল বাংলাদেশ। বেছে বেছে হিন্দুদের উপর আক্রমণ (Violence on Hindus) চালানো হচ্ছে বাংলাদেশে। স্বজনদের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে বাংলাদেশে ফেরার হিড়িক ভারতে থাকা বাংলাদেশিদের (Bangladeshi)। রবিবার ভোররাত থেকেই লম্বা লাইন পেট্রাপোল সীমান্তে (Petrapole)।
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে অবনতি হয়েছে। সীমান্ত (India-Bangladesh Border) বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন দুই দেশের বাসিন্দারা। রবিবার কাকভোর থেকেই পেট্রাপোলে ভিড় জমান এপাড়ে থাকা বাংলাদেশিরা। কেউ দেশে পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চাইছেন, আবার কেউ কেউ যাচ্ছেন ওপাড়ে থাকা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে।

সীমান্ত পেরিয়ে বেনাপোলে (Benapole) বাসে চাপার অপেক্ষায় শয়ে শয়ে মানুষ। চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট তাঁদের। লাইনে থাকা যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, বাংলাদেশে অশান্তির জেরে তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হিন্দুদের জোর করে নমাজে পাঠ করতে বাধ্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন তাঁরা।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর বর্বরোচিত আক্রমণের শিকার বেলঘরিয়ার বাসিন্দা সায়ন ঘোষ। বাজারে বের হতেই মুসলিম কিছু যুবক ধর্ম জিজ্ঞেস করে বলে অভিযোগ তাঁর। হিন্দু (Hindu) ধর্ম বলতেই মারধর করে ছিনতাইও করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ কোনওভাবে সাহায্য করেনি। এমনকি বাংলাদেশের হাসপাতালেও তাঁকে চিকিৎসা করা হয়নি বলে দাবি যুবকের।
বাংলাদেশে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পর আরও ২ সন্ন্যাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাসের। চিন্ময় প্রভুর সেক্রেটারি-সহ আরও ৩ সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ইসকনের আরও মন্দিরও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
অন্য একটি ঘটনায়, বাংলাদেশের নামী অনলাইন পোর্টালের সম্পাদককে গ্রেফতার করার অভিযোগ। পরে তাঁকে অবশ্য মুক্তি দেওয়া হয় বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ সরকার। ঢাকার কারওয়ান বাজারে সবজি কিনতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিক মুন্নী সাহা (Journalist Munni Saha)। তাঁকে দেখে চড়াও হন একদল বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেফতার করে।
এদিকে, বাংলাদেশে গাজীপুরের তারগাছ এলাকায় বাসের ধাক্কায় নিহত একটি কারখানার নিরাপত্তা কর্মী। ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে তিনটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় শ্রমিকরা। গোটা দুর্ঘটনা উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে অভিযোগ করেন বিক্ষুব্ধরা।












Click it and Unblock the Notifications