London: তীব্র দহনে পুড়ছে লন্ডন, চড়া রোদে প্রিন্স উইলিয়ামের সামনে জ্ঞান হারালেন রক্ষী
আর মনোরম নেই ইউরোপীয়ান সামার। গত কয়েক বছর ধরে গরমে তাপমাত্রা প্রতিদিন একটু একটু করে চড়েছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। এবার লন্ডনে যাকে বলে ঘর্মাক্ত গরম পড়েছে। গলদঘর্ম দশা হয়েছে লন্ডনবাসীর।
লন্ডনে প্রিন্স উইলিয়ামের সামনেই অ্যানুয়াল টপিং দ্য কালার প্যারেডের সময় জ্ঞান হারালেন এক প্রহরী। গরমের মধ্যে মোটা মোটা শীতের পোশাক পরে প্যারেডে অংশ নিয়েছিলেন রাজ পরিবারের সেনারা। অতিরিক্ত গরমের কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে মনে করা হচ্ছে।

লন্ডনের তাপমাত্রা এখন পৌঁছে গিয়েছে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফ্যান চালিয়েও মিলছে না রেহাই। লন্ডনেও হটকেক হয়ে উঠেছে ফ্যান, এসি। সেই গরমের মধ্যে উলের টুপি পরে দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যেই গরমের েজরে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণ লন্ডনে।
যেখানে গরমের সময় সকলে ইউরোপে বেড়াতে যেতেন মনোরম আবহাওয়ার কারণে। সমুদ্র সৈকতে জলকেলি করতে দেখা যেত পর্যটকদের। সানবাথ নিতেন সেখানকার বাসিন্দারা। সেখানে এখন ইউরোপের একাধিক দেশে প্রতিবছরে মাত্রা ছাড়া গরম দেখা যাচ্ছে। ইতালি, স্পেন, গ্রিসের তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি পার করে গিয়েছে।
সেরকম পাল্লা দিয়ে তাপমাত্রা বাড়ছে ইংল্যান্ডেও। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে সেখানকার মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সাধারণ কনকনে ঠান্ডায় থাকেন তাঁরা। শীতকালে তুষারপাত হয় এখানে। সেখানে গরমে একেবারে ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পৌঁছে যাওয়া। তাপমাত্রার এতোটা ফারাক একেবারেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। হু হু করে বাড়ছে তাপমাত্রা।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি বলে মনে করছেন গবেষকরা। ইউরোপে যেমন তাপমাত্রা বাড়ছে তেমনই আন্টার্কটিকার তাপমাত্রাও বাড়ছে। যার ফলে বরফ গলছে। একাধিক হিমবাহ গলতে শুরু করে দিয়েেছ। তাতে আবার উপকূলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়ছে। একের পর এক ভয়ঙ্কর সব ঘূর্ণিঝড় দেখা দিচ্ছে। গত কয়েক বছরে এশিয়ার একাধিক উপকূলে ভয়ঙ্কর সব ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications