একজনের শরীরে ধরা পড়েছে করোনা, ফের লকডাউনের কবলে চলে গেল এই গোটা দেশটিই
একজনের শরীরে ধরা পড়েছে করোনা, ফের লকডাউনের কবলে চলে গেল এই গোটা দেশটিই
অন্যান্য দেশের তুলনায় দ্রুত গতিতে নিজেকে করোনা মুক্ত ঘোষণা করতে সক্ষম হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু এবার সেই দেশেই ফের থাবা বসিয়েছে মারণ করোনা। যদিও এখনও পর্যন্ত মাত্র ১ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণের কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তাতেই সাবধানী পদক্ষেপ নিতে চাইছে সেদেশের সরকার। আর বাড়তি সতর্কতা হিসাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই নিউজিল্যান্ডে শুরু হয়ে গেল লকডাউন।
|
জারি কড়া লকডাউন
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই গোটা দেশব্যাপী ৪ স্তরীয় সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। সহজ করে বললে নতুন করে সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে কঠোর বিধিনিষেধের পথে হাঁটতে চলেছে গোটা দেশে। উচ্চ পর্যায়ের এই লকডাউন গোটা দেশেই পরবর্তী তিনদিন চলবে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি অকল্যান্ড এবং করোম্যানডেল সিটিতে চার থেকে সাতদিন পর্যন্ত বহাল থাকবে এই কড়া লকডাউন। সম্প্রতি এই ঘোষণা করেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আর্দেন।

গেম চেঞ্জার ডেল্টা স্ট্রেনেই তটস্থ নিউজিল্যান্ড
এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ' করোনার ডেল্টা স্ট্রেনকে গেম চেঞ্জার বলা হয়েছে। এটি আসলেই তাই। এর অর্থ এই নয়া স্ট্রেনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হলে আমাদের আবারও কঠোর ও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। ইতিমধ্যেই আমরা দেখছি অন্য দেশগুলির কী অবস্থা হয়েছে। তাই আগাম পর্যায়ে সংক্রমণ ঠেকানোর এটাই আমাদের একমাত্র সুযোগ।' এদিকে অ্যালার্ট ৪ লকডাউন চালু হওয়াতেই স্বভাবতই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এই দ্বীপ রাষ্ট্রে। অন্যদিকে অকল্যান্ডের পাশাপাশি পেনিনসুলাতে লেভেল ৪ লকডাউন আরও ৭ দিন জারি থাকবে বলে জানা যাচ্ছে।

২৩টি সম্ভাব্য এলাকাকেও শনাক্ত করেছে প্রশাসন
এদিকে সে দেশে বর্তমানে যে ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তার বয়স ৫৮ বছর। সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার থেকে তিনি কোভিডের ডেল্টা স্ট্রেনের কবলে পড়েছেন। আর তাতেই আতঙ্কিত নিউজিল্যান্ড সরকার। এদিকে ওই ব্যক্তির গতিবিধি ও সংস্পর্শে আসা মানুষদের চিহ্নিত করে এরইমধ্যে সংক্রমণের ২৩টি সম্ভাব্য এলাকাকেও শনাক্ত করেছে নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ। সেই অনুযায়ী চলছে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া।

একনজরে দ্বীপরাষ্ট্রের করোনা পরিসংখ্যান
অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে প্রায় তিন হাজার। মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। বাকি সংক্রিয় আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে প্রায় সবাই। এদিকে করোনা মহামারি ঠেকাতে গত এক বছরের বেশি সময়কাল ধরে নিউজিল্যান্ডে এই উচ্চমাত্রার লকডাউন চলেছিল। সুফল মিলেছেলি অনেকটা। তাই বর্তমানে ডেল্টা স্ট্রেন যাতে মারাত্মক কোনো রূপ নিতে না পারে, বা গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়াতে না পারে তাই আগে থেকেই এই সতর্কতা বলে দাবি নিউজিল্যান্ড সরকারের।












Click it and Unblock the Notifications