কুষ্টিয়ায় লালন স্মরণোৎসব, চলবে ১৯শে পর্যন্ত

কুষ্টিয়া শহরের পাশ দিয়ে বইছে কালীগঙ্গা নদী। এই নদীর ধারে ছেউড়িয়াতে লালন ফকির মারা যান। ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর। সেই থেকে ছেউড়িয়া একটি দ্রষ্টব্যস্থানে পরিণত হয়।
দেশ-বিদেশের লালন অনুগামীরা দোলপূর্ণিমা তিথির অপেক্ষায় থাকেন সারা বছর। সাঁইজির রীতি অনুসারে দোলপূর্ণিমার সন্ধেতে অধিবাসের দ্বারা ২৪ ঘণ্টার দোলসঙ্গ শুরু হয়। চাঁদের স্নিগ্ন আলোয় যখন ভেসে যায় চরাচর, তখন মরমিয়া বাউল গানের তালে তালে দোলে জগৎ সংসার! পরের দিন 'পুণ্যসেবা' পালন করে আখড়া ত্যাগ করেন বেশিরভাগ সাধু। লালন ফকিরের স্মরণে কালীগঙ্গা নদীর ধারে ফি বছরই বসে জাঁকজমকপূর্ণ মেলা।
এবারের স্মরণোৎসব উপলক্ষে সব ব্যবস্থা সেরে ফেলেছে লালন আকাদেমি কর্তৃপক্ষ। ১৫ থেকে ১৯ মার্চ, প্রতিদিনই থাকবে সন্ধে সাতটা থেকে থাকবে লালন ফকিরের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা, সঙ্গীত ইত্যাদি। বিশিষ্টরা হাজির থাকবেন এই উপলক্ষে।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মফিজউদ্দিন আহমেদ জানান, উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে সাধারণ পুলিশকর্মীদের পাশাপাশি নিয়োগ করা হয়েছে সাদা পোশাকের পুলিশ। যে কোনও ধরনের নাশকতা ঠেকাতে সাদা পোশাকের পুলিশ নজর রাখবে। মেলা প্রাঙ্গণে থাকছে অনুসন্ধান কেন্দ্র। ভিড়ে কেউ হারিয়ে গেলে এই অনুসন্ধান কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে পারবেন। বহিরাগতদের থাকা-খাওয়ার যাবতীয় ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications