অবশেষে কী ইজরায়েলেই মিলল করোনার প্রতিষেধক? জানুন কী বলছে গবেষণা
অবশেষে কী ইজরায়েলেই মিলল করোনার প্রতিষেধক ? জানুন কী বলছে গবেষণা
ইতিমধ্যেই করোনার উৎস অনুসন্ধানের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জোরদার গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। চলছে প্রতিষেধক তৈরির কাজও। সাফল্য কম এলেও আশা ছাড়তে নারাজ সকলেই। এবার করোনা যুদ্ধে নতুন প্রতিষেধকের খোঁজ দিতে চলেছে ইজরায়েল।

অবশেষে করোনা প্রতিষেধকের খোঁজ ইজরায়েলে ?
সূত্রের খবর, করোনাকে কাবুকে করতে এবার অভিনব অস্ত্র বানাচ্ছে নেতানিয়াহুর দেশ। এদিকে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে প্যাসিভ ভ্যাকসিন তৈরি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই গবেষণা চলছিল দ্য ইসরায়েল ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল রিসার্চে। এবার সেই প্যাসিভ ভ্যাকসিনের হাত ধরেই নতুন সাফল্য আসতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। এই ভ্যাকসিন তৈরি হলে করেনা চিকিত্সায় নতুন দিগন্ত খুলে যাবে বলে অনেকেই আসা করছেন।

সরকারি ভাবে বিবৃতির মাধ্যমে জানানো হয় প্রতিষেধক তৈরির কথা
এই ভ্যাকসিন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রয়োগ করলে অসুস্থ ব্যক্তির শরীরের মধ্যেই করোনার নিকেশ সম্ভব বলে জানাচ্ছে ইজরায়েল। এদিন ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং ইজরায়েল ইনস্টিটিউট ইনস্টিটিউট অফ বায়োলজিকাল রিসার্চের এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিষেধক তৈরির খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে অখনও পর্যন্ত ইজরায়েলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৬,১০০। মারা গেছেন ২৩০ জন।

কী ভাবে কাজ করে এই প্যাসিভ ভ্যাকসিন ?
চিকিত্সকেরা জানাচ্ছেন সংক্রমণ রুখতে সাধারণ দু'ধরনের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। অ্যাক্টিভ ভ্যাকসিন ও প্যাসিভ ভ্যাকসিন। প্যাসিভ ভ্যাকসিনের সময় কোনও আক্রান্তের শরীর থেকে রক্তরস নিয়ে তা অন্যের শরীরে প্রয়োগ করা হয়।। এরপর সেখানে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি গুলিকে প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার হয় রোগ প্রতিরোধ ও সংক্রমণের ক্ষেত্রে। তবে অ্যক্টিভ ভ্যাকসিনই সাফ্যলের হার বেশি বলেও জানান বিজ্ঞানীরা।












Click it and Unblock the Notifications