জেনে নিন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় মার্কিন সেনার বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা
জেনে নিন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় মার্কিন সেনার বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা
চলতি মাসেই ইরানীয় ক্ষেপণাস্ত্র হানায় কেঁপে উঠে ছিলো ইরাকের মার্কিন বিমান ঘাঁটি। মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে ইরাকে অবস্থিত ওই দুটি বিমান ঘাঁটিতে ১২টির বেশি ব্যালেস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের গুপ্ত বাহিনী কুদস। বিদেশের মাটিতে ইরানপন্থী ভাড়াটে সেনাদের পরিচালনা করাই যার মূল কাজ। এই বাহিনীরই প্রধান ছিলেন কাসেম সোলেইমানি। শুক্রবার ভোররাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয় সোলেইমানির। সূত্রের খবর, এরপর থেকেই নতুন করে মার্কিন-ইরান টানাপোড়নের শুরু হয়।

এরপর থেকেই ইরানের প্রতিশোধের ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা। এই প্রসঙ্গে এক মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন, গত সপ্তাহের মঙ্গলবার বিকালে তারা জানতে পারেন– ইরাকের মার্কিন স্থাপত্য গুলিতে হামলা করতে করতে চলেছে ইরান। কিন্তু কোথায় কোথায় হামলা চালানো হবে সেই বিষয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে পরিষ্কার হওয়া যায়নি। একই সঙ্গে স্পর্শকাতর গোয়েন্দা তথ্য ও কূটনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা জানতাম, ইরাকিরা আমাদের বলেছেন– এই তথ্য কয়েক ঘণ্টা আগেই আসছিল।
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে পূর্বাভাস দিতে পেন্টাগনের বরিষ্ঠ কর্মকর্তারা ওই দিন একটি গোপ বৈঠক সারেন বলেও জানা যাচ্ছে। ওই হামলার সময় অনেক মার্কিন সেনাই বাঙ্কারে লুকিয়ে ছিলেন বলে দাবি করা হয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের তরফে। এই প্রসঙ্গে মার্কিন বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা লেঃ কর্নেল স্ট্যাসি কোলম্যান সাংবাদিকদের বলেন, " বিস্ময়কর ভাবে ওই হামলায় কেউ আঘাত প্রাপ্ত হয়নি।" যদিও ওই হামলায় ৮০ মার্কিন সেনা নিহত ও ২০০ জন আহত হয় বলে দাবি ইরানের। ওই হামলায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় মার্কিন সেনাদের ড্রয়িং রুম ও বাসস্থান সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভবন।
অন্যদিকে কূটনৈতিক সূত্রে খবর, মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালানোর আগেই ইরাককে সতর্ক করে দেয় ইরানি কর্মকর্তারা। তবে কোন কোন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হবে তা জানায়নি তারা।












Click it and Unblock the Notifications