পাকিস্তানে সরকারের টাকায় তৈরি জইশের সদর দফতরের ভিতরটি ঠিক কেমন, জানেন কি
কয়েকশো জঙ্গি নিচ্ছে সন্ত্রাসের পাঠ দিচ্ছে পাকিস্তানে জইশ ই মহম্মদের সদর দফতরে।
কয়েকশো জঙ্গি নিচ্ছে সন্ত্রাসের পাঠ দিচ্ছে পাকিস্তানে জইশ ই মহম্মদের সদর দফতরে। বিলাসবহুল সেই আয়োজনে থেকে জেহাদি মনোভাব দিয়ে বিষিয়ে দেওয়া হচ্ছে কমবয়সীদের মন। কাউকে ভারত বিরোধিতা কথা বলে ফুঁসলিয়ে আনা হচ্ছে, কেউ আসছে দরিদ্র পরিবার যাতে সামান্য টাকা পায় তা নিশ্চিত করতে। আর নাহলে কেউ আসছে মৃত্যুর পর জন্নতে আ্ল্লাহর পায়ে জায়গা পাবে বলে। কারণ যাই হোক, উদ্দেশ্য একটাই। আর সেটাকেই কাজে লাগাচ্ছে মৌলানা মাসুদ আজহারের মতো জঙ্গিরা।

জইশ সদর দফতরটি রয়েছে পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের বাহওয়ালপুরে। একেবারে বিলাসবহুল একটি তিন তলা বাড়ি। নাম মারকাজ শুভানাল্লাহ। যাতে রয়েছে ৬০০ জন জঙ্গির থাকার ব্যবস্থা।
এটিকে বাড়ি না বলে একটি বিলাবহুল কমপ্লেক্স বলা যেতে পারে। যেখানে শুধু জইশ জঙ্গিরাই থাকে।
মাসুদ আজহার তিন বছর ধরে এই কমপ্লেক্সটি তৈরি করেছে। এখানে ভিতরে একেবারে আধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে। জিম থেকে শুরু করে সুইমিং পুল। কী নেই সেখানে। কেউ জঙ্গি হতে গেলে আগে এখানে আসতে হয়। এটাই জইশ জঙ্গিদের এন্ট্রি গেট বলা যেতে পারে। পরে এখান থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় বালাকোটে জঙ্গি ঘাঁটিতে।

সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট বলছে জইশের সদর দফতর প্রদেশ সরকার ও পাকিস্তানের ফেডেরাল সরকারের আর্থিক অনুদানে গড়ে উঠেছে। মাসুদ আজহার নিজের ক্ষমতায় মধ্যপ্রাচ্য আফ্রিকা ও যুক্তরাজ্য ইংল্যান্ড থেকে টাকা জোগাড় করে। সেই টাকা জঙ্গিদের পিছনে খরচ করে ভারত বিরোধিতার জিগির তোলা হয়।
জইশের যত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এই মারকাজ শুভানাল্লাহ কমপ্লেক্সে। এখানে প্রতি শুক্রবার মাসুদ না হলেও তার ভাই রউফ অসগর থেকে শুরু করে শীর্ষ জইশ জঙ্গিরা বক্তৃতা দেয়। জেহাদি অংশগ্রহণ করতে কমবয়সীদের উদ্বুদ্ধ করে। ২০১২ সালে এই কমপ্লেক্সের নির্মাণ শুরু হয়, ২০১৫ সালে তা শেষ হয়। সেখান থেকেই ভারত বিরোধিতাকে বারবার উসকানি দেওয়া হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications