জি-২০তে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত, জেনে নিন কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে দেশ
নরেন্দ্র মোদী জি-২০ সামিটের লোগো, থিম, ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করলেন। এই জি-২০ সামিট হবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। এর লোগো, থিম এবং ওয়েবসাইট ভারতের গুরুত্ব বিশ্বের কাছে কতটা তা বলে দিচ্ছে।
পয়লা ডিসেম্বর থেকে , ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারত এই জি-২০র নেতৃত্ব দেবে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ২০০টি মিটিং করবে। অন্তত একটি করে মিটিং হবে বিভিন্ন রাজ্যগুলির রাজধানীতে।

সুযোগ
জি-২০তে নেতৃত্ব দেওয়া ভারতের কাছে হতে চলেছে দারুণ সুযোগ। বিশ্বের নানা বিষয় যা আন্তর্জাতিক স্তরে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা সহজেই তুলে ধরতে পারবে। এমনটাই বলছেন বিদেশ মন্ত্রক।

জি-২০ কী?
জি-২০ হল কুড়িটি দেশের সম্মেলন যেখানে আন্তঃসরকারি ফোরাম বিশ্বের সমস্ত উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি এসে মিলিত হয়। ওই ২০টি দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাড, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, আরব আমিরশাহি, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুর্কি, ইউনাইটেড কিংডম, আমেরিকা এবং ইওরোপীয় ইউনিয়ন।
জি - ২০ হল সেই ফোরাম যেখানে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কো-অপারেশন যেখানে বিশ্বের ৮৫ শতাংশ জিডিপি রয়েছে। ৭৫ শতাংশের বেশি গ্লোবাল ট্রেড রয়েছে এবং ের মধ্যে রয়েছে বিশ্বের দুই তৃতীয়াংশ জনসংখ্যাও।
এই ফোরাম তৈরি হয় ১৯৯৯ সালে। বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দা কাটাতে তা তৈরি হয়। বিশ্বের অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রশমন এবং উন্নয়ন এই বিষয়গুলি নিয়ে এখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং আগামী দিনের পথ নির্ণয় করা হয়। ১৯৯৯ সাল থেকেই ভারত এর অংশ।

কারা থাকেন এই সম্মেলনে?
এই সামিটে অংশগ্রহন করেন উক্ত দেশের সরকারের প্রধান। থাকতে পারেন অর্থমন্ত্রী, বিদেশ মন্ত্রী এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কোনও একজন কর্মীও। আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বেসরকারি সংস্থাকেও এখানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রন জানানো হয়।
ভারত আমন্ত্রন জানিয়েছে বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ড, নাইজেরিয়া, ওমান সিঙ্গাপুর, স্পেন এবং আরবকে। এরা আমন্ত্রিত দেশ ২০২৩ সালের সম্মেলনের।
বিগত কয়েক বছরে এর প্রভাব বিশ্বে বাড়লেও এর মধ্যে আবার বৈষম্যের অভাবও দেখা গিয়েছে। বিধি প্রয়োগ নিয়ে অভাব দেখা গিয়েছে।

ভারত যেহেতু এর নেতৃত্ব দিচ্ছে তাই ভারতের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে
ভারত গুরুত্ব দেবে বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি, নারী স্বাধীনতা, মানুষের কাছে ডিজিটাল পরিকাঠামো শক্ত করা, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য অর্থ বিনিয়োগ, বিশ্বের খাদ্য সুরক্ষা এবং শক্তি সুরক্ষা নিয়ে। ভারতকে সেই বিষয় গুলি অবশ্যই তুলে ধরতে হবে যা অংশ নেওয়া প্রায় সব দেশের সমস্যা। ভারতকে নিজে আবার নিজের ঐক্যের দিকে জোড় দিতে হবে। এটা করতে পারলে ভারতের আগামীদিন ও বিশ্বের আগামী দিন কী হতে চলেছে তা নিয়ে একটা সার্বিক চিত্র তৈরি হবে।












Click it and Unblock the Notifications