জ্বলছে দেশ মরছে মানুষ! ভয়ঙ্কর এক পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে কাজাখস্তান
জ্বলছে দেশ মরছে মানুষ! ভয়ঙ্কর এক পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে কাজখাস্তানে
কার্যত গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তেলে সমৃদ্ধ কাজখাস্তানে। একের পর এক পুলিশ কর্মীকে হত্যা করা হচ্ছে বলেও মারাত্মক অভিযোগ। পালটা আন্দোলনকারীদের লক্ষ্যে করেও চলছে গুলি। এখনও পর্যন্ত পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে প্রায় ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তালিকায় ১৮ জন পুলিশ আধিকারিকও রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। খাজখাস্তানের সবথেকে বড় শহর অলমতিতে ক্রমশ হিংসাত্বক ঘটনা মারাত্মক আকার নিচ্ছে। সে দেশের রাষ্ট্রপতি কড়া হাতে হাতে আন্দোলনকারীদের দমানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকার ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছে!
জানা যাচ্ছে, এক পুলিশ আধিকারিকের গলা কেটে খুন করার অভিযোগ। আর এই ঘটনা সামনে আসার পরেই মারাত্মক আকার নেই পরিস্থিতি। পালটা জবাবে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গুলি করে মারা হয়। আর এরপরেই আরও ভয়ঙ্কর আকার ধারন করে পরিস্থিতি। আন্দোলন আরও মারাত্মক আকার নেয়। প্রায় ১৮ জন পুলিশকর্মীর এই ঘটনায় মৃত্যু হয়। আর এরপরেও পুলিশের তরফে আরও কড়া মনোভাব নেওয়া হয়। যদিও একের পর এক সরকারি অফিস-এলাকা নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় আন্দোলনকারীরা। লাগাতার এহেন আন্দোলনে সরকার ইস্তফা পর্যন্ত দিয়ে দেয়। কিন্তু এরপরেও আন্দোলন থামে না। বরং অলমতিতে মারাত্মক আকার নেয় অবস্থা।

দু হাজার মানুষকে গ্রেফতার
আন্দোলনকারীরা রাষ্ট্রপতি ভবন এবং মেয়র অফিসে পর্যন্ত ঢুকে হামলা চালায়। প্রায় কয়েকশ আন্দোলনকারী কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের ঘিরে ফেলে। এই অবস্থায় পড়ে শেষমেশ পুলিশ আধিকারিকরা গুলি চালাতে কার্যত বাধ্য হয়। সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দু হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের তরফে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশের তরফে জানানো হয় যে, ঘটনায় বেশ শতাধিকেরও বেশি পুলিশ কর্তা জখম।

ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে রুশ বাহিনী
অন্যদিকে কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্টের অনুরোধে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সে দেশে ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে রুশ বাহিনী। কাজাখ নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিক্ষোভ দমনে কাজ শুরু করেছে। এদিকে, কাজাখস্তান ইস্যুতে রাশিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে আলোচনা করেছে তুরস্ক। অন্যদিকে পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে আমেরিকাও। ইতিমধ্যে শান্তিরক্ষা বাহিনীকেও পাঠানো হয়েছে সেখানে।

তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে
তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মুলত এই বিক্ষোভ শুরু হয়। আর তা যে এত ভয়াবহ আকার নিতে পারে তা বোধহয় কল্পনাতেও ভাবতে পারেননি কেউ। রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন-বিক্ষোভ প্রায় এক সপ্তাহ হতে চললেও দমানো যায়নি। বরং আরও মারাত্মক আকার নিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications