ভোটে জিতলে জেরুজালেমেই থাকবে মার্কিন দূতাবাস, প্রতিশ্রুতি জো বাইডেনের
ভোটে জিতলে জেরুজালেমেই থাকবে মার্কিন দূতাবাস, প্রতিশ্রুতি জো বিডেনের
জেরুজালেমেই মার্কিন দূতাবাস রাখার পক্ষে সওয়াল করতে দেখা গেল আমেরিকার ডেমোক্রেটিক দলের পদপ্রার্থী জো বাইডেনকে। একই সাথে বর্তমান রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের তেল আবিব থেকে আমেরিকার এই কূটনৈতিক ঘাঁটি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে 'অদূরদর্শী’ বলেও সমালোচনা করেন।

দ্বন্দ্বের মূলে যখন জেরুজালেম
বাইডেনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্.কর হলে ইজারয়েরি সরকার ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রক্রিয়ারও কাজও বেশ কিছুটা এগিয়ে যাবে। কারণ তাদের লড়াইয়ের মূলেই রয়েছে এই জেরুজালেম। এর আগে বিগত তিন মার্কিন প্রেসিডেন্টই চেষ্টা করেছেন প্যালেস্তাইনের সাথে ইজরায়েলের সমস্যার একটি সুরাহা করার। তবে এক্ষেত্রে তাদের সমর্থনের পাল্লা তেল আবিবের দিকেই বেশি থেকেছে।

মার্কিন রাজনীতিতে তুরুপের তাস যখন ইজরায়েল
এদিকে মার্কিন রাজনীতিতে ইজরায়েল বরাবরই একটা তুরুপের তাস হয়ে থেকেছে। এটা ভাল মতোই জানেন জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইহুদি এবং খ্রিস্টান ধর্মীয় সংগঠনগুলো অধিক সক্রিয় ও শক্তিশালী। কংগ্রেসে ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান পার্টি থেকে উভয় ধর্মেরই নির্বাচিত সদস্য রয়েছে, যাদের সবাই ইজরায়েল পন্থী। যার ফলে মার্কিন কংগ্রেসে ইজরায়েলের পক্ষে কোনো বিল পাস করা বেশ সহজ।

২০১৭-র সিদ্ধান্তের পরল বিতর্কে জড়ান ডোনাল্ড ট্রাম্প
এর আগে ২০১৭ সালে জেরুজালেম কে ইজরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিয়ে বিতর্কে জড়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ড ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পর থেকেই ফুঁসছে গোটা প্যালেস্তাইন। ক্ষোভ জমেছে গোটা আরব দুনিয়ায়। এমনকী আমেরিকার ‘বন্ধু' হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবও প্রেসিডেন্টের এমন সিদ্ধান্ত পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য চরম উস্কানিমূলক সিদ্ধান্ত হিসাবে দেখছে। বর্তমানে আমেরিকার রাজনীতির ময়দানের এই ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের উত্তাপ কতটা প্রভাব ফেলে এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications