ইরান-মার্কিন যুদ্ধের আবহে 'নাসা' পেল জ্যাসমিনকে! এই আমেরিকান-ইরানি মহাকাশচারী এখন খবরে
এদিনও ভোররাতে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। তার আগে, বাগদাদে ইরানের সেনা প্রধান সুলেমানিকে এক ড্রোন হামলায় খুন করে মার্কিন সেনা।
এদিনও ভোররাতে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। তার আগে, বাগদাদে ইরানের সেনা প্রধান সুলেমানিকে এক ড্রোন হামলায় খুন করে মার্কিন সেনা। আর বিশ্বে যখন এমন রক্তপাত, মৃত্যুর মিছিল চলছে , তখন এই দুনিয়ার থেকে অনেক দূরের মহাকাশ নিয়ে ভাবনায় মগ্ন জ্যাসমিন মোঘবেলি। ইরান বনাম মার্কিন যুদ্ধের আবহ যখন তুঙ্গে তখন মহাকাশের ভাবনায় বুঁদ জ্যাসমিন মোঘবেলি। ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নাসার মহাকাশচারী ।

যুদ্ধ-হেলিকপ্টার পাইলট থেকে যাত্রা শুরু
আফগানিস্তানে বহু বছর রণাঙ্গনের হেলিকপ্টারের পাইলট ছিলেন জ্যাসমিন। সেখান থেকেই 'উড়ান' স্বপ্ন দেখা। আর আকাশ ছাড়িয়ে মহাকাশে পাড়ি দিতে চলা জ্যাসমিনের এই সাহসিকতা তাঁকে আদরের ডাক নাম 'জস' দিয়েছে। আর এবার 'জস' পাড়ি দিতে চলেছেন অন্য এক দুনিয়ায়।
|
মোঘবেলির শিক্ষা জগত
এমআইটি থেকে স্নাতক হয়ে মার্কিন নৌবাহিনীতে বহু বছর কাজ করেছেন জ্যাসমিন। নৌবাহিনীতে তিনি ছিলেন ' মেজর' পদে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড় হয়ে ওঠা জ্যাসমিন ইরানের স্মৃতি সেভাবে মনে করতে পারেননা। সেখানের ভূমিকন্যা না হলেও, নিজেকে ইরানি বংশোদ্ভূত বলতে তিনি পিছপা হননা।
|
ইরান ছাড়ার অগ্নিগর্ভ সময় ও জ্যাসমিন
১৯৭৯ সালে ইরান যখন ইসলামের আন্দোলনে বুঁদ তখন সেদেশ ছেড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসে জ্যাসমিনের পরিবার। তারপর থেকে জ্যাসমিনের সমস্ত জগত জুড়ে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক। কারণ সেখানেই জ্যাসমিনের বেড়ে ওঠা। ২০০৫ সালে মার্কিন সেনায় যোগ দেওয়ার আগে ১৫ বছর বয়সে একাধিক সেনা সংক্রান্ত কার্যাবলীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
ছবি সৌ: টুইটার












Click it and Unblock the Notifications