করাত দিয়ে ছিন্নভিন্ন হয় সৌদি রাজবংশের ঘনিষ্ঠ সাংবাদিকের দেহ! খুনিদের প্রশিক্ষণ ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য
তিনি সৌদি রাজবংশের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সাংবিদক ছিলেন। কিন্তু যুবরাজ সলমনেপ সবচেয়ে বড় সমালোচক হিসাবে পরিচিতি ছিল সাংবাদিক জামাল খাশোগির।
তিনি সৌদি রাজবংশের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক ছিলেন। কিন্তু যুবরাজ সলমনেপ সবচেয়ে বড় সমালোচক হিসাবে পরিচিতি ছিল সাংবাদিক জামাল খাশোগির। শেষমেশ ঘটে যায় সাংবাদিকের মর্মান্তিক পরিণতি। এমনই দাবি বহু সংবাদমাধ্যমের। নিখোঁজ খাশোগির খোঁজে তদন্তে নেমে একাধিক সূত্র মারফৎ উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য়। রাজপরিবার ঘনিষ্ঠ এই সাংবাদিককে হত্যা করে তাঁর দেহ টুকরো করে কেটে, তা সেদ্ধ করা হয় বলে দাবি করে এক বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম।

ঘটনার নেপথ্যের কাণ্ড
তুরস্কের ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে খাশোগি যেতেই তাঁকে সেখানে হত্যা করা হয় বলে খবর। খাশোগিকে হত্যা করতে ১৫ জন এজেন্টকে সেদেশে পাঠিয়েছিল রায়াধ। এমনই ,তথ্য উঠে আসছে সাম্প্রতিক রিপোর্টে। সৌদি যদিও গোটা ঘটনা থেকে গা ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। তাদের দাবি গোটা কাজই করেছে এজেন্টরা,যাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে গিয়েছিল। এদিকে খবর, ওই ১৫ জন এজেন্টকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

মার্কিন ও সৌদির অবস্থান
প্রসঙ্গত, সৌদির মাটিতে তথা তেল উত্তোলক দেশগুলির মধ্যে যুবরাজ সলমনের দাপটের একাধিক উদাবরণ রয়েছে। আরব্য দুনিয়াও তাঁকে সমীহ করে চলে। এদিকে, খাশোগি হত্যামামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম জড়ালেও, এই বিতর্ক থেকে বারবার দূরে থেকেছেন ট্রাম্প। শোনা যায়, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ট্রাম্পকে গোটা বিষয়টি সম্পর্কে সিআইএ অবহিত করলেও তিনি সরাসরি বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি।

কী ঘটেছিল?
সূত্রের দাবি, খাশোগিকে সেদিন সৌদি কনস্যুলেটে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। যাতে সম্ভবত অচৈতন্য হয়ে মৃত্যুর দিকে ঢল পড়তে থাকেন তিনি। এরপর তাঁর মুখের ওপর একটি ব্য়াগ দিয়ে তাঁকে শ্বাসরুদ্ধ করা হয়। এর পর এক ইলেকট্রিকের করাত দিয়ে খাশোগির দেহ ছিন্নভিন্ন করা হয় বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications