রাষ্ট্রপুঞ্জে রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধ গভীর উদ্বেগ ব্যাখ্যা করে চিনকে বার্তা ভারতের
এসইও শেখর সম্মেলনে রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই অবস্থায় ফের একবার এই ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রপুঞ্জে দাঁড়িয়ে ইউক্রেন এবং রাশিয়া যুদ্ধকে গভীর উ
এসইও শেখর সম্মেলনে রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই অবস্থায় ফের একবার এই ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রপুঞ্জে দাঁড়িয়ে ইউক্রেন এবং রাশিয়া যুদ্ধকে গভীর উদ্বেগ বলে ব্যাখ্যা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
শুধু তাই নয়, বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে এই যুদ্ধ শেষ হওয়া উচিৎ। শুধু তাই নয়, দ্রুত আলোচনার রাস্তায় ফেরা উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বর্তমান অবস্থায় দাঁড়িয়ে বিদেশমন্ত্রীর এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

গভীর উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে বৃহস্পতিবার বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আর তা রাখতে গিয়ে রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি। আর তা বলতে গিয়েই জয়শঙ্কর বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ গোটা বিশ্বের কাছেই গভীর উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টিকেও তুলে আনেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। জানান, সমস্ত জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্যশস্য, সার এবং জ্বালানীর দাম অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে উদ্বেগের কারণ রয়েছে বলে মত কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর।

যুদ্ধের যুগ হতে পারে না।
এসইও শেখর সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদী জানিয়েছিলেন, এটা কখনই যুদ্ধের যুগ হতে পারে না। যুদ্ধের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রসঙ্গ টেনে আনেন জয়শঙ্কর। বলেন, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন। ফলে অবিলম্বে এই যুদ্ধের পথ বন্ধ হওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর। শুধু তাই নয়, কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার কথাও বলেন তিনি। জানান, পরিষদ কূটনীতির সবথেকে বড় প্রতীক। আর সে পথেই এগোন উচিৎ বলে মন্তব্য জয়শঙ্করের।

যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে
বলে রাখা প্রয়োজন, চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। যা এখনও চলছে। প্রায় সাত মাস কেটে গেলেও যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণ নেই। রাশিয়া এবং ইউক্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এখনও পর্যন্ত। কিন্তু দুই দেশই নিজের জায়গা থেকে সরতে নারাজ। সেখানে দাঁড়িয়ে বিশ্বের মঞ্চে যেভাবে ভারত তাঁর বক্তব্য জানিয়েছে তা যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

চিনকে প্রচ্ছন্নভাবে আক্রমণ
অন্যদিকে ইউক্রেন সম্পর্কে বলতে গিয়ে এ দিন চিনকে প্রচ্ছন্নভাবে আক্রমণ করনে জয়শঙ্কর। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতি কখনও কোনও অভিযোগ চাপা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। কিন্তু আফশোসের বিষয় হল, বিশ্বের সন্ত্রাসবাদীদের নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করার ক্ষেত্রে সেটাই দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, দিনের আলোয় ভয়ঙ্কর যে সব ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, তাতে যদি শাস্তি না হয়, তাহলে তা উদ্বেগের। বলে রাখা প্রয়োজন, সীমান্ত ইস্যুতে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে। এমনকি এসইও বৈঠকেও মোদী-জিংপিংয়ের কোনও কথা হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications