আমেরিকার অস্ত্রে হামলা বাড়াচ্ছে ইজরায়েল, গুঁড়িয়ে যাচ্ছে প্যালেস্টাইনের সভ্যতা
আরও বড় হামলা ইজরায়েলের। প্যালেস্টাইনের উপর একের পর এক বিধ্বংসী হামলা চালানো হচ্ছে। আরও একটি হামলা নাড়িয়ে দিয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্টাইনকে। ইজরায়েলি হামলায় ৩০ জন প্যালেস্টাইনের মারা যাওয়ার খবর এসেছে।
প্যালেস্টাইনের গাজার স্বাস্থ্য দফতরের কথা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার বার্তা দিয়েছে। সোমবার ইজরায়েল বোমারু বিমানের হামলার পরিমাণ বাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্যালেস্টাইনে ২৬৬ জন মারা গিয়েছে। তার মধ্যে ১১৭ জনই শিশু। চূড়ান্ত হামলার বার্তা আগেই দিয়েছিল ইজরায়েল।

কিন্তু এই রক্তের শেষ কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই। তথ্য বলছে, গত ৭ অক্টোবরে ইজরায়েলের উপর প্যালেস্টাইনের হামলার পরেই পরিস্থিতি জটিল হয়। দুই দেশের হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। মৃত্যুর মিছিল কোথায় গিয়ে থমকাবে? প্রশ্ন সেখানেই।
প্রথমে ছিল গাজার তরফ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হানা। ইজরায়েলের বহু এলাকা বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে। এখন পালটা হামলা শুরু করেছে তারা। গাজা ভূখণ্ড ধূলিসাৎ করে দেওয়াই কি এখন একমাত্র লক্ষ্য তাদের? আমেরিকা বিপুল পরিমাণে সমরাস্ত্র পাঠিয়েছে। সেই অস্ত্রের জোরে ভয়ানক হামলা শুরু করেছে ইজরায়েল।
প্যালেস্টাইনের সূত্র মারফত পাওয়া তথ্যে আল - সুহাদা এলাকায় ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে। সাধারণ বসতবাড়ি, রিফিউজি ক্যাম্প এলাকায় আকাশপথে হামলা বোমারু বিমানের। নাগাড়ে হামলায় একদম গুঁড়িয়ে গিয়েছে ওই এলাকার সভ্যতা।
ইজরায়েল - প্যালেস্টাইন সংঘাত আরও অশনিসংকেত বাড়িয়ে দিচ্ছে কি? মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো কি নিজেদের মধ্যে হামলা শুরু করে দেবে? সেই প্রশ্নও দরজায় কড়া নাড়ছে। লেবানন ইজরায়েলের প্রতি ক্ষুব্ধ। তারা ইজরায়েল লক্ষ্য করে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল ও রকেট চালানোর পরিকল্পনা চালায়।
সোমবার ভোরে ইজরায়েল সেনা লেবাননের দুটি হিজবুল্লাহ সেলকে আঘাত করেছে। এমনই তাদের দাবি। ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র রবিবার সিরিয়ার দামেস্ক এবং আলেপ্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে। ফলে কোন পথে যাচ্ছে এই বিবাদ?












Click it and Unblock the Notifications