Israel Hamas War: যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠকেও গলল না বরফ! গাজায় আকাশপথে ইজরায়েলের হামলায় মৃত ২১
Israel Hamas War: কাতারের দোহায় যুদ্ধবিরতি (Ceasefire) নিয়ে বৈঠক চলার মাঝেই ফের গাজায় (Gaza) যুদ্ধবিমান (Airstrike) হামলা ইজরায়েলের। শনিবার ওই হামলায় প্রাণ গিয়েছে ২১ জনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে ২ জন শিশুও।
পথচলতি জনতা, গাড়ি বাড়ি লক্ষ্য করে এদিন হামলা চালায় ইজরায়েল। এদিকে, প্রায় দেড় বছরের চলা প্রাণঘাতী সংঘর্ষে ইতি টানতে তেল আভিভে (Tel Aviv) মিছিল হাজার হাজার ইজরায়েলির। গাজায় এখনও পণবন্দি (Hostages) রয়েছেন এক ইজরায়েলি মহিলা জওয়ান। এমনই দাবিতে ভিডিও প্রকাশ করে হামাস জঙ্গিগোষ্ঠী।

আর তাই যুদ্ধবিরতি চেয়ে ইজরায়েলের বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) সরকারকে আবেদন জানাচ্ছে দেশবাসী। হামাসের (Hamas) ওই ভিডিও কার্যত মানসিকভাবে বিচলিত করেছে ইজরায়েলকে। লিরি আলবাগ নামে ওই মহিলা জওয়ানকে সাড়ে চারশো দিন ধরে পণবন্দি করে রেখেছে হামাস।
বন্দি থাকা অবস্থায় তার উপরে অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে হামাস। অন্যান্য বন্দিদের উপরেও চলা পাশবিক নির্যাতনের কথা লিরির মুখ থেকেই বলা করিয়েছে অত্যাচারী হামাস। ভিডিও নিয়ে পাল্টা বার্তায় বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, পণবন্দিদের ফেরাতে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। আর এরপরই গাজায় যুদ্ধবিমান নিয়ে হামলা চালাল ইজরায়েল।
গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫৯ জন। জখম হয়েছেন প্রায় ২৭০ জন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলা ইজরায়েলি হামলায় ৪৫ হাজার প্যালেস্তাইনির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজা। মৃতদের সিংহভাগই মহিলা ও শিশু বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই তথ্য নিয়ে সন্দিহান খোদ গাজাও। অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় মৃতদের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে গাজা।
এদিকে কাতারে যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠকে তেমন সমাধানসূত্র মেলেনি বলে খবর। কাতারে মিশর ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৌলতে যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠকে হামাস ও ইজরায়েল। যদিও তাতে বরফ না গলারই ইঙ্গিত। হামাসকে পুরোদমে নিঃশেষ না করা পর্যন্ত লড়াই থামানোর কোনও পরিকল্পনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
গাজার পশ্চিম প্রান্তে এখনও অবিরাম যুদ্ধে লিপ্ত ইজরায়েলি সেনা। নাবলুসে শরণার্থী শিবিরে তাদের হামলায় বছর ১৮-এর এক কিশোর মারা গিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এই তীব্র শীতে মাথার উপর থেকে ছাদ সরে গিয়েছে, নেই ওষুধপত্রও। এমতাবস্থায় আরও খারাপ পরিস্থিতির দিকে এগোতে চলেছে গাজার নাগরিকরা।












Click it and Unblock the Notifications