ইসরায়েলের হামলায় ত্রস্ত গাজা, বন্ধ ইন্টারনেট, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গোটা বিশ্বের সঙ্গে
প্যালেস্তাইনের গাজার উত্তরদিকে ব্যাপক আক্রমণ শানাল ইসরায়েল। সূত্রের খবর, যুদ্ধ শুরু হওয়া ইস্তক এটাই ইসরায়েলের সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণ। শোনা যাচ্ছে, গাজায় ইন্টারনেট ব্যবস্থা পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্বের সঙ্গে গাজার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন।
অক্টোবরের ৭ তারিখে হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে এখনও পর্যন্ত সাত হাজারের বেশি প্যালেস্তানীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে। রাষ্ট্রসংঘ ইতিমধ্যে সতর্কবাণী জানিয়েছে যে গাজা কোনওদিক থেকেই সুরক্ষিত নয়। কারণ ইসরায়েল বোমা হামলার তেজ বাড়িয়েছে।

হামাসের অতর্কিত হামলার পরে ইসরায়েল গাজায় জল, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ঢোকার রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। ইসরায়েলের সেনা জানিয়েছে, গাজায় প্রত্যাঘাতের তেজ আরও বাড়ানো হয়েছে। বোমা হামলায় গাজার আকাশ কার্যত মেঘলা করে দেওয়া হচ্ছে। এবং এই হামলা চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরায়েল সেনা।
হামাসও সরকারিভাবে ভয়ানক অবস্থার কথা জানিয়েছে। উত্তর গাজায় হামলার ঘটনার পরই গাজার সরকারি সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, একইসঙ্গে স্থল, বায়ু ও জলপথে আক্রমণ শানানো হচ্ছে। অন্যদিকে হামাসও জানিয়েছে, ইসরায়েলের আক্রমণের পাল্টা তারাও সালভোস রকেট ছুঁড়েছে সীমান্তের ওপারে।
ঘটনা হল, ইসরায়েল ও হামাসের হানা পাল্টা হানা চলছে। তার মাঝে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রসংঘ নিরুপায় হয়ে প্রমাদ গুনছে এবং যুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে ভেবে আতঙ্কিত হয়ে সতর্কবাণী শুনিয়ে চলেছে। যদিও সেই কথা কোনওপক্ষই কানে তুলছে না।
ইসরায়েলের অভিযোগ, হামাস ঘাঁটি হিসাবে হাসপাতালগুলিকে ব্যবহার করছে। সেখান থেকে লুকিয়ে অপারেশন চালাচ্ছে। বেঞ্জামিন নেতানইয়াহুর অভিযোগ, হামাস জঙ্গিরা হাসপাতালগুলিকে ঘাঁটি বানিয়ে ব্যবহার করছে। ইন্টেলিজেন্সের কাছে তার সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। যদিও হামাসের মুখপাত্র ইজ্জত আল রশিদ এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications