Israel-Palestine Conflict: গাজায় হাসপাতালে আক্রমণ! দুই শত্রুর দুই মতাদর্শ, দাবি অনেকগুলি
Israel-Palestine Conflict: সতেরোই অক্টোবর, ২০২৩, রাতে গাজার আল-আহলি ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতালে বিস্ফোরণ। মৃত্যু হয় রোগী-সহ ৫০০-র বেশি মানুষের। এই ঘটনার পরেই হামাস ও ইজরায়েল একে অপরের বিরুদ্ধে শত শত নিরাপরাধের হত্যার অভিযোগে একে অপরকে দায়ী করতে শুরু করে।
গোটা বিশ্ব যখন এই ঘটনার নিন্দা করছে, তখন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি মতবাদ সামনে এসেছে। একদিকে পশ্চিমী মিডিয়া অন্যদিকে আলজাজিরা, পুরো ঘটনাতে ভিন্নভাবে তুলে ধরেছে।

হাসপাতালে বিস্ফোরণে অন্তত ৫০০ নিরীহ মানুষের মৃত্যুর জন্য ইজরায়েলকে দায়ী করে হামাস বলেছে, ইজরায়েল ইচ্ছা করে এই হামলা চালিয়েছে। কেননা ইজরায়েল এর আগে আল-আহলি ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতাল খালি করতে বলেছিল, সেখান থেকেই বলা যায়, আক্রমণটি ইচ্ছাকৃত।
হামাসের তরফে আরও দাবি করে বলা হয়েছে, হামলার যা ধরণ তাতে তা ইজরায়েলেরই। ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধে শত শত মানুষ প্রাণ বাঁচাতে আল-আহলি ও গাজার অন্য হাসপাতালগুলিতে আশ্রয় নিয়েছে।
অন্যদিকে হামাসের অভিযোগের পরে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী চরমপন্থী গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদকে দায়ী করে ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে ইসলামিক জিহাদ রকেট নিক্ষেপ করেছিল, যা উৎক্ষেপণের সময় ভুল করে আল-আহলি হাসপাতালের ওপরে গিয়ে পড়ে।
সারা বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ইজরায়েল ও হামাসের যুদ্ধের খবর সম্প্রচার করছে। এর মধ্যে রয়েছে আলজাজিরা, সিএনএনের মতো সংস্থা। এরা নিজেদের মতো করে হামলার প্রতিবেদন তুলে ধরছে। আলজাজিরার তরফে বলা হচ্ছে হামলার পরে অস্বীকার করাটা ইজরায়েলের অভ্যাস। ২০২২ সালের মে মাসের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছে আলজাজিরা।
সেই সময় আলজাজিরার ফিলিস্তিনি-আমেরিকান সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহকে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনাতেও ইজরায়েলের তরফে ফিলিস্তিনিদের দায়ী করা হয়েছিল।
অন্যদিকে সিএনএনের মতো পশ্চিমী সংবাদ মাধ্যম ইজরায়েলের দেওয়া প্রমাণকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট সমর্থন করেছেন বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে হামলায় ইজরায়েলের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। হামলায় শিকার চিকিৎসকের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের প্রতিবেদনে।
পাশাপাশি আরেকটি পশ্চিমী সংবাদ মাধ্যম দ্য সান জানিয়েছেন, গাজার আল আহলি হাসপাতালে হামলায় যতটা ক্ষতি দেখানো হচ্ছে, ততটা হয়নি। প্রতিবেদনে হামলার আগে ও পরে হাসপাতালের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। ছবি-সহ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। হামলায় হাসপাতালের খুব কম ক্ষতি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications