Israel-Palestine Conflict: হামাস নয় গাজায় যুদ্ধে ইজরায়েলের সেনাদের শত্রু 'শিগেলা'! দেশে ফিরেছেন বহু সেনা
Israel-Palestine Conflict: যুদ্ধটা শুরু হয়েছিল সাত অক্টোবর। তারপর থেকে দুইমাস পেরিয়ে গিয়েছে। এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে তা কেউই বলতে পারছেন না। ইজরায়েল বলছে হামাসকে যতদিন না পর্যন্তা তারা নির্মূল করতে পারছে, ততদিন তাদের হামলা জারি থাকবে। নভেম্বরের শেষে যুদ্ধ বিরতিতে কিছু বন্দি বিনিময় হয়। তারপর তা শেষ হলে ফের আঘাত হানতে শুরু করেছে ইজরায়েল।
এই মূহুর্তে গাজার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। বেশিরভাগ বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে রয়েছে। অন্যদিকে বাস্তুচ্যুতরা রাস্তায় ঘুরছেন, অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। তারপরেও গাজায় সংকটের মুখে পড়েছেন ইজরায়েলের সেনারা। সেখানে থাকা ইজরায়েলের সেনারা মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই রোগের নাম শিগেলা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি খারাপ হওয়া এবং খারাপ খাবারের কারণে রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর চিকিৎসকরা বলছেন, গাজায় থাকা ইজরায়েলের সেনাদের মধ্যে গুরুতর পেটের রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। তবে ইজরায়েল সরকারের তরফে আক্রান্ত সেনাদের কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসার জন্য দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
শিগেলা ছড়ানোর পিছনে বেশ কিছু কারণও পাওয়া গিয়েছে। ইজরায়েলে খাবার তৈরি করে তা গাজায় পাঠানো হচ্ছে। সেই খাবারেই শিগেলা ছাড়া অন্য ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। ইজরায়েল থেকে খাবার আনা হচ্ছে কম তাপমাত্রায়। কিন্তু সেনারা তা গরম না করেই খেতে বাধ্য হচ্ছেন। যে কারণে এই ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণ। এছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে খারাপ অবস্থা, ময়লা আবর্জনা এবং পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা না থাকাও শিগেলা ছড়িয়ে পড়ার বড় কারণ।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, শিগেলা ছড়ানোর প্রধান কারণ হল সরাসরি বা অন্য কোনও উপায়ে আক্রান্ত ব্যক্তির মলের সংস্পর্শে আসা। এছাড়াও এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে আক্রান্ত ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির খাবার তৈরি দেওয়ায়। নর্দমার জল দূষিত হওয়ার কারণেও এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শিগেলা আক্রান্তের প্রভাব আমাশয়ে রূপান্তরিত হয়। যাকে বলে শিগেলোসিস। যে কোনও ব্যক্তি এই রোগে আক্রান্ত হলে তাঁর জ্বর, রক্তাক্ত ডায়ারিয়া, প্রচণ্ড পেটে ব্যথা এবং শরীরে জলের অভাব দেখা দেয়। সময় মতো চিকিৎসা করা না হলে, আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে গুরুতর সমস্যা তৈরি হয়। এমন কী আক্রান্তের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পাশাপাশি বেশি করে জল খান এবং বিশ্রাম নেন, তাহলে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।












Click it and Unblock the Notifications