Israel-Palestine Conflict: হামাসের হামলার পরে অবরুদ্ধ গাজা! পণবন্দিদের মুক্ত করতে শর্ত দিল ইজরায়েল
Israel-Palestine Conflict: অবরুদ্ধ গাজা। সেখানে বিদ্যুৎ, জল ও জ্বালানি কিছুই নেই। সাধারণভাবে এইসব জিনিসের জন্য গাজার প্রায় ২৩ লক্ষ মানুষকে ইজরায়েলের ওপরে নির্ভর করে থাকতে হয়। গত শনিবার ইজরায়েলে হামাসের হামলার পরেই নেতানিয়াহু সরকার জানায় জরুরি কিছুই সরবরাহ করা হবে না গাজায়।
ইতিমধ্যে ইজরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ বলেছেন হামাসের হাতে পণবন্দি ইজরায়েলিদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত গাজা অবরুদ্ধই থাকবে। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি বলেছেন, পণবন্দিদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত কোনও বৈদ্যুতিক সুইচ চালু করা হবে না। জলের কোনও হাইড্র্যান্টও খোলা হবে না। পাশাপাশি সেখানে কোনও জ্বালানির গাড়িও প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

গত শনিবার হামাসের হামলার সময় কমপক্ষে ১৫০ জনকে পণবন্দি করার পাশাপাশি বহু মানুষকে হত্যা করে হামাস। তাদের একের পর এক রকেট হামলায় বারোশোর ওপর মানুষের মৃত্যু হয়। এদিকে ইজরায়েল গাজায় প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করার পর থেকে প্রায় একই সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার গাজার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার পরে পুরো এলাকাকে এখন জেনারেটরের ওপরে নির্ভর করতে হচ্ছে। গাজা ভূখণ্ড থেকে যে সুরঙ্গের মাধ্যমে হামাস জঙ্গিরা ইজরায়েলে ঢুকেছিল, তা লক্ষ্য করে বিমান হানা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল।
এদিকে ইজরায়েল সফর শুরু করেছে আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। পাশাপাশি হোয়াইট হাউজের তরফে আঞ্চলিক দেশগুলিকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, তারা যেন বর্তমান পরিস্থিতির সুবিধা না নেয়।
বুধবারের পরে বৃহস্পতিবারেও গাজাকে অবরুদ্ধ করে সেখানে কার্পেট বোম্বিং করে ইজরায়েল। আমেরিকা ইজরায়েলকে অস্ত্র সাহায্য করার পরে এবার আরও যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইজরায়েল যখন গাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, সেই সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইজরায়েলকে গণহত্যায় অভিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, গাজায় জল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি বন্ধ করে ইজরায়েল সব ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি ভঙ্গ করেছে।
এদিকে গাজায় হামাসকে অর্থ সাহায্যের ব্যাপারে অভিযোগ উঠলেও, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খেমেইনি বলেছেন, ইজরায়েলে হামলার পিছনে তাঁর দেশ নেই।












Click it and Unblock the Notifications