Israel-Palestine Conflict: গাজার হাসপাতালের বিস্ফোরণের নিন্দা নেতানিয়াহুর, পণবন্দিদের ছাড়তে শর্তদিল হামাসরা
আধমরা অবস্থায় রয়েছে গাজা। তার উপরে হাসপাতালে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রক্তের হোলি খেলা চলছে। এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে ইজরায়েলের কোনও হাত নেই বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তিনি তীব্র আক্রমণ শানিয়ে এই ঘটনাকে পাল্টা বর্বরোচিত বলে নিশানা করেছেন তিনি।
ইজরায়েলি সেনাও গাজার হাসপাতালে বিস্ফোরণের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। ইজরায়েলে সেনার লাগাতার এয়ার স্ট্রাইকে গাজায় মৃত্যু মিছিল চলছে। হামাস জঙ্গিদের নির্মূল করতে একেবারে মরিয়া হয়ে উঠেছে ইজরােয়ল এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হাসপাতালে বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজায় সেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন অসংখ্যমানুষ। যদিও তাঁদের বাঁচিয়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছিল তাঁদের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই বিস্ফোরণ। এদিকে এই মুহূর্তে ইজরায়েল সফরে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গতকাল জর্ডনের রাজা এবং মিশরের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এই পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তার মাঝেই বিস্ফোরণের ঘটনা শোনার পর তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি।
এদিকে এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে কার হাত রয়েছে তাই নিয়ে দায় ঠেলা ঠেলি চলছে। গাজায় এই ধরনের অমানবিক বিস্ফোরণ ইজরায়েলি সেনা ঘটায়নি বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন ইজরায়েলি সেনা রকেট হামলা চালালেও হাসপাতালকে টার্গেট করে কোনও দিনই হামলা চালায়নি। ইজরায়েলি সেনার দাবি প্যালেস্তাইনের ইসলামিক জিহাদ মিলিট্যান্টরা ইজরায়েলকে টার্গেট করে রকেট হামলা চালাতে গিয়ে সেটা মিস ফায়ার হয়ে গাজার হাসপাতালে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
এদিকে শোনা যাচ্ছে হামাস জঙ্গিরা নাকি পণবন্দিদের মুক্ত করতে শর্ত দিয়েছে। পণবন্দিদের মুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ইজরায়েলি সেনা। কিন্তু ইজরায়েল সেই শর্ত মানবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবে গাজার হাসপাতালে বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে গোটা বিশ্বে নিন্দার ঝড় উঠেছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের পক্ষ থেকে গাজায় অবিলম্বে রকেট হানা বন্ধের অনুরোধ জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications