Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Israel-Palestine Conflict: গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো! আমেরিকার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ হামাসের

Israel-Palestine Conflict: সাত অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে দুমাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত। যুদ্ধ কবে থামবে তা কেউই বলতে পারছেন না। তবে নভেম্বরের শেষের দিকে যুদ্ধরত ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে কয়েকদিনের যুদ্ধবিরতি হয়। সেই সময় দুপক্ষের বন্দি বিনিময়ও হয়।

তবে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইজয়ারেলি হামলা শুরু হয় গাজায়। এখন গাজায় হাসপাতাল বাদ দিয়ে কার্যত কোনও ভবনই দাঁড়িয়ে নেই। অন্যদিক গাজায় ইজরায়েলের বিমান হামলা বন্ধে একের পর এক প্রস্তাব এলেও তা পাস করানো যায়নি। এর অর্থ গাজায় ইজরায়েলি বিমান থেকে বোমা হামলা অব্যাহত থাকবে।

 আমেরিকার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ হামাসের

রাষ্ট্রসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কর্তারা বলেছেন, গাজায় বিশৃঙ্খলা ও অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হওয়া ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো অনাহারে ভুগছে। তাঁদের স্থান হয়েছে রাস্তায়।

সাম্প্রতিক সময়ে গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আনা প্রস্তাবে ভেটো দেয় আমেরিকা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আনা প্রস্তাবে তেরোটি দেশ প্রস্তাবে একমত হলেও ব্রিটেন ভোট,দানে অংশ নেয়নি। অন্যদিকে আমেরিকা ভেটো দেয়।

রাষ্ট্রসংঘে আনা প্রস্তাবে মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়। প্রস্তাবে আরও বলা হয়, পণবন্দিদের কোনও শর্ত ছাড়াই মুক্তি দেওয়া হোক। তাতে ফিলিস্তিনিদের কাছে মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া যাবে। ৯৭ টি দেশে এই প্রস্তাব তৈরি করতে সহায়তা করেছে।

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আমেরিকার অবস্থানে তীব্র নিন্দা করেছে হামাস। আমিরিকার পদক্ষেপকে অনৈতিক ও অমানবিক বলে বর্ণনা করে তারা। হামাস আরও বলেছে, প্রস্তাবে আমেরিকার অবস্থান থেকেই স্পষ্ট ফিলিস্তিদের হত্যার সঙ্গে আমেরিকা সরাসরি জড়িত।

রাষ্ট্রসংঘে ইজরায়েলের প্রতিনিধি মেনাশে এরদান বলেছেন, শান্তির একমাত্র বিকল্প হল হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল করা। ইজরায়েলের পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তির জন্য হামাসকে নির্মূল করা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার দিনের শেষে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী বলেছে, শুক্রবার তারা গাজায় অমন্তত ৪৫০ টি লক্ষ্যবল্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে। নভেম্বরের শেষে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরে একদিনে এটাই সর্বোচ্চ হামলা বলে জানিয়েছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। গাজা শহরের ফিলিস্তিনি স্কোয়ারে ইজরায়েল তাদের পতাকা তুলেছে।

ইজরায়েলি সেনাবাহিনী গত দুদিনে গাজা থেকে বেশ কয়েকজন সন্দেহজনক ব্যক্তিকে আটক করেছে। যাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইজরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অনেক সন্ত্রাসবাদীকে নির্মূল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী।

ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট দাবি করেছেন, গাজায় হামাস পতনের মুখে দাঁড়িয়ে। তিনি আরও বলেছেন, একমাসে আগে যারা ভেবেছিল ইজরায়েলের আলো নিভিয়ে দেওয়া যাবে, তার ফল তারা এখন পাচ্ছে। ইজরায়েলে আলো আর গাজায় অন্ধকার।

অন্যদিকে প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, তারা তুরস্কের পাঠানো ১১ টি অ্যাম্বুলেন্স ও ১০০ টি ট্রাক সাহায্য সামগ্রী রাফাহ সীমান্ত দিয়ে গাজায় পৌঁছে দিয়েছে। ট্রাকগুলিতে খাবার, জল, ত্রাণ সহায়তা ও চিকিৎসা সামগ্রী রয়েছে। এখনও পর্যন্ত যুদ্ধে প্রায় আঠারো হাজার ফিলিস্তিনির মূত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা প্রায় পঞ্চাশ হাজারের মতো।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+