Israel-Palestine Conflict: ফের বিস্ফোরণ গাজায়, হাসপাতালের পর এবার টার্গেটে চার্চ, শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা
একদিকে যুদ্ধ আরেকদিকে বিস্ফোরণ। গাজাকে যেন নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। একের পর এক বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত পরিস্থিতি গাজার। হাসপাতালে বিস্ফোরণের পর এবার চার্চে বিস্ফোরণ হয়েছে। গাজায় চার্জে বিস্ফোরণের কথা জানিয়েছে হামাসরা। শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২ দিন আগেই গাজায় হাসপাতালে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। তাতে ৫০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল গাজায়। েসই বিস্ফোরণের তীব্র নিন্দা করেছেন সকলে। আমেরিকা থেকে শুরু করে ফ্রান্স, ব্রিটেন, আরবের দেশগুলিও গাজায় হাসপাতালে বিস্ফোরণের তীব্র নিন্দা করেছেন।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইজরায়েলে যেন মৃত্যু মিছিল চলছে। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। ইতিমধ্যেই গাজায় মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। হামাস জঙ্গেদের খতম করতে গাজাকে টার্গেট করে চলেছে তারা। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে গাজায়। নির্বিচারে নিরিহ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। গাজায় হামলা বন্ধ না করলে ইজরায়েলকে তেল পাঠানো বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দিয়েছে ইরাক। অন্যদিকে লেবাননেও হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল। লেবানন থেকেই পাল্টা হামলা করা হচ্ছে।
যদিও হাসপাতালে বিস্ফোরণের দায় অস্বীকার করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেছিলেন ইজরায়েলি সেনার কোনও হাত নেই গাজার হাসপাতালে বিস্ফোরণের। তার প্রমাণও তিনি দিয়েছিলেন। গাজায় হাসপাতালে বিস্ফোরণের নেপথ্যে ছিল ইসলামিক জঙ্গিরা। তাঁদের রকেটই লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়ে হাসপাতালে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল।
তার দুদিনের মধ্যেই হঠাৎ করে ফের গাজার চার্চে বিস্ফোরণের ঘটনা ফের চমকে দিয়েছে বিশ্বকে। এদিকে হামাস জঙ্গিদের হাতে পণবন্দিদের ছাড়াতে মরিয়া ইজরায়েল সেনা। তারা জানিয়েছেন যু্দ্ধের থেকেও তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ পণবন্দিদের হামাস জঙ্গিদের হাত থেকে উদ্ধার করা। ইজরায়েলের উপর যুদ্ধ থামানোর চাপ তৈরি করা হলেও তাঁরা মানতে নারাজ। এদিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক ইতিমধ্যেই ইজরায়েল সফর করে কথা বলেছেন নেতানিয়াহুর সঙ্গে। গাজায় মানবিকতার স্বার্থে রকেট হামলা বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। এদিকে আবার জার্মানি গাজায় সাহায্য পাঠানোর বার্তা দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications