Israel-Iran Conflict: দীর্ঘদিন ধরে চলা ছায়াযুদ্ধ এবার সামনাসামনি? ইজরায়েল-ইরানকে নিয়ে আশঙ্কার কালো মেঘ
Israel-Iran Conflict: গত এপ্রিল মাসের ১৪ তারিখে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সংঘাত সামনে আসে। সেই দিন ইজরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেছিল ইরান। ওই দিনই ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে ১০০টি বোমা সহ ড্রোন পাঠিয়েছিল ইরান। দীর্ঘদিন ধরে যে ছায়াযুদ্ধ চলছিল, সেই লড়াই একেবারে মুখোমুখি শুরু হয়ে যায়।
ওই ঘটনার পর দেশের মানুষকে জয়ের বার্তা দিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছিলেন, ইরানের পাঠানো ৩০০-র বেশি ড্রোন, মিসাইল-সবটাই প্রতিহত করতে পেরেছে ইজরায়েল। চলতি বছরের ১ এপ্রিল দামাস্কাসে তেহরানের দূতাবাস লক্ষ্য করে যে হামলা হয়, তাতে সন্দেহের তির ছিল ইজরায়েলের দিকে। সেই ঘটনার পর জবাব দিতেই ওই হামলা চালিয়েছিল ইরান (Israel-Iran Conflict) ।

ইরান ও ইজরায়েল (Israel-Iran Conflict) দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা দীর্ঘদিনের। কখনও স্থলভাগে, কখনও সমুদ্রে, কখনও আকাশপথে একে অপরের বিরুদ্ধে কভার্ট অপারেশন চালিয়েছে একাধিকবার। সাইবার হামলার নির্দশনও রয়েছে, তবে পরোক্ষভাবে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
যেমন- ২০১০-এর স্টানজেট সাইবার হামলা, যেখানে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রকে নিশানা করা হয়েছিল। ওই হামলা ইজরায়েল ও আমেরিকা যৌথভাবে চালিয়েছিল বলে মনে করা হয়। ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানী মোস্তাফা আহমাদি রোশন হত্যাতেও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে উঠেছিল অভিযোগ। এরপরও বারবার সংঘাত সামনে এসেছে। ২০১৮-তে সিরিয়ায় ইরানের সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইজরায়েল। তার আগে ইজরায়েলের অধীনে থাকা গোলান হাইটস লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালিয়েছিল ইরান।
২০২০ সালে আমেরিকার ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয় জেনারেল কাশেম সোলেমানির। আর তার প্রত্যুত্তরে ইরাকের সেনাঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সেনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। আর সেই ঘটনায় শতাধিক মার্কিন সৈন্য আহত হন। ২০২১ সালে মোহসেন থাকরি জাদের মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটায়। ওই ব্যক্তিকে ইরানের গোপন পরমানু অস্ত্র তৈরির প্রোগ্রামের প্রধান হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এরপর ২০২২ সালে দু'দেশের সম্পর্কের নতুন মোড় আনে এক কুটনৈতিক চাল।
ইরান যাতে কোনও পরমানু অস্ত্র কিনতে না পারে, এজন্য একটি চুক্তি সাক্ষর করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইজরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। ইজরায়েলের সন্দেহজনক হামলায় ইসলামিক রেভিলিশনারী গার্ডের ৭ অফিসারের মৃত্যু হয়। এরপরেই ইরান পাল্টা ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ওই এয়ারস্ট্রাইকে ইরানে দূতাবাসে উপস্থিত দুই সিনিয়র কমান্ডারেরও মৃত্যু হয়।
ওই এয়ারস্ট্রাইকের দায় অবশ্য ইজরায়েল স্বীকার করেনি আবার অস্বীকারও করেনি। অন্যদিকে ইরান পাল্টা হামলায় বুঝিয়ে দেয় দুই দেশের মধ্যে সংঘাত জারি থাকছে। বিশ্বের সব দেশে নজর রয়েছে এই মুহূর্তে ইজরায়েল এবং তেহরানের উপর। আন্তজাতিকমহল মনে করছে, ইজরায়েল এবং ইরান আরও বিপদজনক দিয়ে চলে যাচ্ছে। এবার তারা কি মুখোমুখি লড়াই'য়ের পথ বেঁছে নিচ্ছে? জোর জল্পনা সামরিক বিশেষজ্ঞদের। এমনকি দুই দেশ একেবারে সামনাসামনি লড়াই করতেও পিছুপা হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications