অতীত ভুলে আরও কাছে ইজরায়েল এবং তুরস্ক! রাষ্ট্রদূত ফেরাল দুই দেশই
কাছাকাছি আসতে চলেছে ইজরায়েল এবং তুর্কি। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তুরস্কও ইজরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের ঘোষণা করেছে। বুধবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিদ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদ
কাছাকাছি আসতে চলেছে ইজরায়েল এবং তুর্কি। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তুরস্কও ইজরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের ঘোষণা করেছে। বুধবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিদ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়। একাধিক ইস্যুতে দুই দেশ আলোচনা সারে।

আর এরপরেই ইজরায়েল এবং তুরস্ক তাদের নিজ নিজ রাষ্ট্রদূত এবং জেনারেল কনস্যুলেটদের পুনর্বহাল করতে সম্মত হয়। আর যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই সিদ্ধান্তের পর ইজরায়েল এবং তুরস্কের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে জোরদার অল মনে করা হচ্ছে।
তবে এরপরেই ইজরায়েলের তরফে একড়ি বিবৃতি জারি করা হয়। যেখানে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিড বলেছেন, তুরস্কের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক মজবুত করার সিদ্ধান্ত এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এমনকি এই সিদ্ধান্তে ইজরায়েলের মানুষও উপকৃত হবে বলে বিবৃতি জানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। আর্থিক ভাবে দুই দেশের মানুষ উপকৃত হবে বলেও আশাবাদী ল্যাপিড।
ওই বিবৃতিতে তিনি আরও বলছেন, আমরা কাজ জারি রাখব। শুধু তাই নয়, বিশ্বে ইজরায়েলের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করা হবে বলেও লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু প্রধানমন্ত্রী নয়, ইজরায়েলের সঙ্গে নতুন করে তুরস্কের সম্পর্ক মজবুত হওয়াতে খুশি ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতিও। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক এবং উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে তুরস্কের তরফেও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৭ সালে আমেরিকা জেরুজালেমকে ইজরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আর তা দেওয়ার পরেই তুরস্ক ও ইজরায়েলের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। দুই দেশই তাদের রাষ্ট্রদূত এবং অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নেয়।
একেবারে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে চলে যায়। এমনকি একই সঙ্গে ২০১০ সালে মাভি মরমরার ঘটনার কারণে দুই দেশের সম্পর্ক চরম উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই অবস্থায় তুরস্কের একটি জাহাজ যখন গাজা ট্রিপে প্রবেশের চেষ্টা করছিল, সেই সময় ইজরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। আর তাতে নয়জন নিহত হয়। আর এরপরেই দুদেশের সম্পর্ক একেবারে চরম তিক্ততার জায়গাতে পৌঁছে যায়।
যদিও ইজরায়েলের মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক টানাপোড়েনের মুখে পড়লেও দুই দেশের কূটনীতিকরা ব্যাক চ্যানেল আলোচনা চালিয়ে যান। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ইহুদি নেতাদের বলেছেন যে ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের দেশের সম্পর্ক "স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।"। আর এরপরেই দুউ দেশের প্রধানদের বৈঠক এবং আশার আলো দেখতে পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications