নবীকে নিয়ে মন্তব্যের জের! কাবুলে গুরুদ্বারে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে জানাল ISIS
নবীকে নিয়ে মন্তব্যের জের! কাবুলে গুরুদ্বারে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে জানাল ISIS
কাবুলে বিস্ফোরণের ঘটনার দায় স্বীকার করল জঙ্গি সংগঠনে আইএসআইএস। তারা বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে জানিয়েছে নবীকে অপমান করার জন্যই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গতকাসে বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মা নবীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তার আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল আরবের দেশগুলিতেও। ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল আরবের দেশগুলি। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশও তার প্রতিবাদ জানিয়ছিল।

কাবুলে গুরুদ্বারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে ২ দিন আগেই। তিন ঘণ্টা ধরে চলেেছ সেখানে হামলা। বন্দুক ধারীরা এলোপাথারি গুলি চালিয়েছিলে কাবুলের কার্তে পারওয়ান গুরুদ্বারে। যদিও বেশি কয়েকজনের মারা যাননি এই হামলায়। মাত্র ২ জন মারা গিয়েছেন আহত হয়েছেন ১৫ জন। কাবুলের ইসলামিক স্টেট খারোসান প্রদেশে এই ঘটনা ঘটেছে। আবু মহম্মদ অল তাজাকি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে গুরুদ্বারে হামলা চালায়। চার আইইডি এবং একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটনো হয়। প্রথমে দাবি করা হয়েছিল কেই হতাহত হয়নি। পরে জানানো হয়, ৫০ শিখ এবং জঙ্গি মারা গিয়েছেন।
ঘটনায় দায় স্বীকার করেছ আইএস জঙ্গি সংগঠন। তারা দাবি করেছে নবীকে অপমান করার কারণেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। গত সপ্তাহে নবীকে নিয়ে বিতর্কতি মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মা। তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে নবীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। তারপরেই গোটা দেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তারপরেই দলীয় মুখপাত্রকে সাসপেন্ড করে বিজেপি। তার পর থেকে আর তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
ভারতের একাধিক জায়গায় এই নিয়ে বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। একাধিক জায়গায় অশান্তি ছড়িয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও একাধিক জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। ভারতের বাইরেও এই নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে মোদী সরকারকে। আরবের একাধিক দেশ, কুয়েত-ইরাক-ইরান সহ একাধিক দেশ বিক্ষোভ দেখিয়েছে নবীকে এই অপমানের বিরুদ্ধে। এমনকী ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছিল একাধিক জায়গায়। পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্থানও এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications