তালিবান-আইএস বিরোধ চরমে আফগানিস্তানে, জালালাবাদে হামলায় হত ২৫
তালিবান-আইএস বিরোধ চরমে আফগানিস্তানে, জালালাবাদে হামলায় হত ২৫
তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে আইএস তাণ্ডব। বিস্ফোরণে মৃত্যু হল ২৫ জন তালিবানের। আফগানিস্তানের জালালাবাদে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল তালিবানদের টার্গেট করেই। আফগানিস্তানের আমাক নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জালালাবাদে তালিবানদের গাড়ি টার্গেট করে পর পর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। প্রাথমিক ভাবে দাবি করা হয়েছে কমপক্ষে ৩৫ জন তালিবানের মৃত্যু এবং আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে এই বিস্ফোরণে।

শনি এবং রবিবার পর পর ২দিন এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয়েছে তালিবানদের পিকআপ ট্রাক টার্গেট করে বিস্ফোরণগুলি ঘটানো হয়েছিল। জালালাবাদের নাঙ্গারহার জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। সেই এলাকাটি আইএসআইএস জঙ্গি সংগঠনের ডেরা বলে পরিচিত। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পর পর বিস্ফোরণে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এলাকায়। সূত্রের খবর মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার সবচেয়ে ভয়ঙ্করতম বিস্ফোরণ বলে জানা গিয়েছে।
পাকিস্তানের সীমান্ত লাগোয়া আফগানিস্তানের নাঙ্গরহার। আফগানিস্তান তালিবান দখলে আসার পর এই প্রথম বড় হামলার মুখে পড়ল তালিবানরা। এর আগে নিজের দেশে কখনও টার্গেট হতে দেখা যায়নি তালিবানদের। সূত্রের খবর যে এলাকায় তালিবানদের টার্গেট করা হয়েেছ সেই এলাকাটি আইএস জঙ্গিদের ডেরা বলে পরিচিত। তালিবান এবং আইএস দুই জঙ্গি সংগঠনই সুন্নি মুসলিম সম্প্রদায়ের হলেও বেশ কিছু নীতিতে তাঁদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। তাঁদের পার্থক্য রয়েছে ধর্মীয় আচরণ এবং নীতিগত দিক দিয়ে। এর আগেও একাধিকবার তািলবান এবং আইএস জঙ্গিরা একে অপরের সঙ্গে সঘর্ষে জড়িয়েছে। কিন্তু আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে আসার পর এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটল।
এর আগে কাবুল বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছিল আইএস জঙ্গিরা। সেই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছিল আইএস-কে জঙ্গি সংগঠন। সেসময় অবশ্য মৃত্যু হয় ৪০ জন মার্কিন সেনারও। তারপরেই ফের ড্রোন হামলা তালিয়ে আইএস শীর্ষ নেতাকে নিকেশ করেছিল আমেরিকা।












Click it and Unblock the Notifications