চিনের সঙ্গে আঁতাত গড়তে কেন বাধ্য হচ্ছে ইরান! কোন কারণ রয়েছে 'সন্ধি'র নেপথ্যে
সদ্য ভারতের এক চুক্তিকে পিছু হঠিয়ে ইরান চিনের সঙ্গে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে। ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগের ৪ বছর চুক্তি কীভাবে ব্যাকফুটে গিয়ে চিন ও ইরানের নতুন আঁতাত তৈরি করেছে তা নিয়ে বহু তত্ত্ব উঠছে। করোনা ভাইরাস নিয়ে যখন গোটা বিশ্ব ধন্দে যে তা চিন থেকেই এসেছে কী না, তখন ইরানের এই চৈনিক প্রীতির নেপথ্যে রয়ে যাচ্ছে একাধিক কারণ।

ইরান নীতি
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের প্রথমের দিকে যখন দিল্লি হিংসার আগুনে জ্বলছে, তখন পাকিস্তানের উস্কানিতে সিএএ নিয়ে ও দিল্লি হিংসা নিয়ে মুখ খুলেছিল ইরান। কার্যত সেই সময় ভারতের পরিস্থিতিকে খুব একটা ভালোভাবে নেয়নি সেদেশ। সমালোচনার সুরে এদেশে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে ইরান।

চিন-সন্ধি সহজ ছিল না
ইরানের বুকে চিনের ভাবমূর্তি অত্যন্ত খারাপ। সেই জায়গা থেকে ইরানের সঙ্গে চিনের আঁতাত খুব একটা উপযুক্ত ছিল না। সেই জায়গা থেকে বহু দুর্বল অবস্থানে গিয়ে ইরানকে চিনের প্রতি ঝুঁকতে হয়েছে। বলা বাহুল্য ঝুঁকতে বাধ্য হয়েছে ইরান।

কেন চিনকে প্রয়োজন ইরানের?
মূলত , ইরান দেখে নিয়েছে, পশ্চিমী ও পূর্বের চাপ সেদেশের ওপর থেকে সরাতে গেলে চিনই সেনা বন্ধু হতে পারে। বিশেষত ইরানের ধুঁকে পড়া অর্থনীতির জন্য চিনের বাণিজ্যতে সঙ্গে নেওয়া জরুরি ছিল ইরানের। অন্যদিকে, দুটি দেশের শাসন ঘরানা কার্যত একনায়কতান্ত্রিক। তাই বিশ্বের চোখে একঘরে হয়ে যাওয়া চিনকে কাছে পেতে চাইছে ইরান।

সুলেমানি হত্য়া ও জমাট বাঁধা ক্ষোভ
ইরানের প্রাক্তন সেনা প্রধান কাশেম সুলেমানির হত্যা আজও সহজে মানতে পারছে না ইরান। আমেরিকার ড্রোন হামলায় এই হত্যার পর প্রতিবাদের আগুনে ফুঁসছে ইরান। সেক্ষেত্রে ট্রাম্প বিরোধিতায় মুখর ইরানের কাছে একমাত্র সুযোগ চিন। যে চিন ট্রাম্পেরও চক্ষুশূল। আর শত্রুর শত্রুকে সঙ্গে নিয়েই এবার ইরান প্রশাসন বিশ্ব কূটনীতিতে বড় ঘুঁটির চাল দিতে চলেছে। দাবি বিশেষজ্ঞদের।












Click it and Unblock the Notifications