India-Pakistan:ভারতের প্রত্যাঘাতে ধূলিসাৎ হবে পাকিস্তান? আভাস পেতেই হাত বাড়াল তেহরান, মোদী মানবেন?
India-Pakistan: সময় যত গড়াচ্ছে ততই ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বাড়ছে উত্তাপ! যেভাবে পাক জঙ্গিরা ২৬ জন পর্যটককে মেরেছে তাতে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। একই সঙ্গে এই ঘটনায় প্রতিশোধের আগুনে ফুঁসছে গোট দেশ। দাবি উঠছে সার্জিকাল স্ট্রাইকের। আতঙ্কে ভুগছে পাকিস্তান। ইতিমধ্যে যদিও সে দেশে একাধিক 'স্ট্রাইক' চালিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। ইতিমধ্যে সিন্ধু চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এমনকী পাক কূটনীতিকদেরও দ্রুত দেশ ছাড়ার কথা বলা হয়েছে।
বাড়ছে টেনশন। এর মধ্যেই বড় প্রস্তাব ইরানের (Iran)। শাস্তি বজায় রাখতে ভারত এবং পাকিস্তানের (India-Pakistan) মধ্যে মধ্যস্থতা করতে চেয়ে বার্তা দিল তেহরান। এই বিষয়ে একটি বার্তাও দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। যেখানে দুই দেশকে শান্তি বজায় রাখার কথাও বলা হিয়েছে।

ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আররাচ্চি (Iran's Foreign Minister Seyed Abbas Araghchi) উল্লেখ করেছেন, শান্তি এবং স্থিতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভারত এবং পাকিস্তান ভাতৃসুলভ প্রতিবেশী বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, তেহরান সবসময় এই দুই দেশকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
এক্স মাধ্যমে তিনি আরও লিখছেন, ভারত এবং পাকিস্তান দুই ইরানের ভাতৃসম প্রতিবেশি দেশ। কয়েকশ বছরের সম্পর্ক এই দুই দেশের সঙ্গে। অন্যান্য প্রতিবেশীদের মতোই ইরান এই দুই দেশকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ এবং দিল্লির সঙ্গে মধ্যস্থতায় রাজি থাকার বার্তা দিয়েছেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী। পার্শি কবি সাদির কবিতার উল্লেখ করে সৈয়দ আব্বাস আররাচ্চি মানবতা এবং সহমর্মিতার বার্তা দিয়েছেন। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি। তবে সম্ভবত নরেন্দ্র মোদী সরকার যে কোনও মধ্যস্থতার পথে হাঁটবে না তা আগেই বুঝিয়ে দইয়েছেন। সম্প্রতি বিহারের একটি জনসভা থেকে একেবারে ইংরেজিতে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। মূলত হিন্দিতেই বক্তব্য রাখেন তিনি। সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তান সহ বিশ্বকে বার্তা দিতেই ইংরেজি বক্তব্য রাখেন।
যেখানে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদীদের কোনও ছাড় নয়। এমনকী সন্ত্রাসবাদীদের কোমর ভেঙে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, ক|ড়া ভাষায় যে যোগ্য জবাব দেওয়া হবে তাও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। আর এরপরেই একাধিক প্রশ্ন উঠছে! তাহলে খুব শীঘ্রই যুদ্ধ? আর সেই ইঙ্গিক্ত পেতেই ইরানের এহেন প্রস্তাব? উঠছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications