পাকিস্তানে বোমা প্রুফ বাড়িতে কীভাবে সুরক্ষা বলয়ে জঙ্গি মাসুদ আজহার, ফাঁস গোয়েন্দাদের
পাকিস্তানে বোমা প্রুফ বাড়িতে কীভাবে সুরক্ষা বলয়ে জঙ্গি মাসুদ আজহার, ফাঁস গোয়েন্দাদের
লোক চক্ষুর অন্তরালে মাসুদ আজহারকে লুকিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। তাঁকে নিরাপদে রাখতে কোনও কসুর করছে না। মুখে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করলেও আসলে তাঁকে নিরাপদ আশ্রয় দিতে ভাওয়ালপুর এলাকায় একটি বোমা প্রুফ বাড়িতে রাখা হয়েছে মাসুদ আজহারকে। শুধু মাসুদ আজহার নয় এরকম একাধিক তাবড় জঙ্গিকে পাকিস্তান নিরাপদ এবং নিশ্চিন্ত আশ্রয় দিয়েছে তাঁদের মাটিতে।

বোমা প্রুফ বাড়িতে সুরক্ষিত মাসুদ
রাষ্ট্রপুঞ্জ তাঁকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করেছে। এমন ত্রাস জঙ্গিকেও সযন্তে লালন করছে পাকিস্তান। ভারতীয় গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে পাকিস্তানের ভাওয়ালপুরে একটি বোমা প্রুফ বাড়িতে জঈশ প্রধান মাসুদ আজহারকে রেখেছে পাকিস্তান। জনসমক্ষে তাঁকে গ্রেফতার করার দাবি করলেও আসলে তাঁকে যে নিরাপদ এবং নিশ্চিন্ত আশ্রয় দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানে সেকথা ফাঁস হয়ে গিয়েছে।

পাকিস্তানের আশ্রয়ে দাউদ, হাফিজ সইদ
শুধু মাসুদ আজহার নয় এভাবেই একাধিক ত্রাস জঙ্গিকে নিরাপদ এবং নিশ্চিন্ত আশ্রয়ে রেখেছে পাকিস্তান। প্রথমেই উঠে আসে দাউদ ইব্রাহিমের নাম। করাচির ক্যান্টমেন্ট এলাকায় বহাল তবিয়তে রয়েছেন দাউদ ইব্রাহিম। যাতে তাঁর হদিস কেই না পায় সেকারণে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হয় তাঁকে। করাচিতে দুটি বাড়ি রয়েছে তাঁর। ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যদম চক্রী দাউদ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধো একাধিক প্রমাণ পাকিস্তানের কাছে দিয়েছে ভারত। তারপরেই পাকিস্তান বারবার দাবি করে এসেছে সেেদশে গ্যাং স্টার দাউদের কোনও অস্তিত্বই নেই। একই ভাবে পাকিস্তানে অত্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে লস্কর-ই-তৈবার প্রধান হাফিজ সইদ। কিছুতেই তাঁকে গ্রেফতার করতে চায়নি পাক সরকার। ২০০১ সালে সংসদ হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদকেও নিরাপদে রেখেছে পাক সরকার। নামেই তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল। গ্রেফতার থাকা অবস্থাতেই পুলওয়ামা হামলার ছক কষেছিলেন হাফিজ। হাসপাতালে বসেই হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

সাংবাদিক সেজে ভারতে এসেছিল মাসুদ আজহার
একটা সময় পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করেছেন মাসুদ আজহার। ভারতের গোপন খবর জানতে সাংবাদিক সেজে ভারতে এসেছিলেন তিনি। কথা বলে মানুষকে প্রভাবিত করার দক্ষতা ছিল তার। শ্রীনগরে পর্তুগিজ পাসপোর্ট সহ গ্রেফতার হয়েছিলেন মাসুদ। পাঁচ বছর ভারতে জেল খাটতে হয়েছিল তাকে। মাসুদকে ছাড়াতেই ১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান অপহরণ হয়েছিল। মাসুদের ভাই মহম্মদ রউফ এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান অপহরণ করে আফগানিস্তানের কান্দাহারে নিয়ে হিয়েছিলেন। দেশের যাত্রীদের নিরাপদে ফেরাতে মাসুদকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় ভারত সরকার। তারপর পাঠানকোেট জঙ্গি হামলার ঘটনা তারই মস্তিস্ক প্রসূত ছিল। মাসুদের বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য প্রমাণ দিয়েছে ভারত। কিন্তু তারপরেও তাকে ভারতের হাতে তুলে দেয়নি পাকিস্তান। উল্টে তাকে নিরাপদে আশ্রয় দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications