জিনপিংয়ের রক্তচাপ বাড়িয়ে দক্ষিণ চিন সাগরে যুদ্ধ মহড়া ভারত-মার্কিন নৌবহরের! মিলছে কোন ইঙ্গিত?

লাদাখের পরিস্থিতি যেন শান্ত হয়েও ফের উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। সেনা প্রত্যাহারেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না সেখানে। এই আবহে এবার চিনকে পাল্টা চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারত। জানা গিয়েছে, এবার দক্ষিণ চিন সাগরে ভারত নৌ মহড়া দেবে ভারত। ভারতের সঙ্গে থাকবে মার্কিন নৌবাহিনীর রণতরী।

দক্ষিণ চিন সাগরে চাপ বাড়ানো একটি ভালো কৌশল

দক্ষিণ চিন সাগরে চাপ বাড়ানো একটি ভালো কৌশল

গালওয়ান উপত্যকায় শান্তি ফেরার ইঙ্গিত মিলেছে। ভারতের হয়ে আমেরিকার বারংবার গলা ফাটানো কী এর নেপথ্যে রয়েছে? নাকি রয়েছে দিল্লির কোনও সুকৌশল কূটনৈতিক চাল! বেজিংয়ের মনে কী রয়েছে, তা জানা খুব কঠিন। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, লাদাখে শান্তি ফেরাতে দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের উপর চাপ বাড়ানো একটি ভালো কৌশল।

লাদাখ ও দক্ষিণ চিন সাগরের যোগসূত্র

লাদাখ ও দক্ষিণ চিন সাগরের যোগসূত্র

লাদাখ ও দক্ষিণ চিন সাগরের তো কোনও যোগ নেই। তবে কেন লাদাখের সঙ্গে বারবার মিলিয়ে দেওয়া হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলটিকে? যোগসূত্র একটাই, তা হল বাণিজ্য। সারা বিশ্বে যখন করোনা সংক্রমণে জর্জরিত তখন সীমান্তে উত্তেজনা তৈরিতে ব্যস্ত চিন। তবে শুধু ভারতের লাদাখ নয়, এই সময়ে প্রায় নিয়মিত ভাবে তাইওয়ানের আকাশসীমায় নিজেদের যুদ্ধ বিমান পাঠিয়েছে চিন। এই আবহেই আমেরিকা প্রশান্ত মহাসাগর ও তাইওয়ান প্রণালীতে নিজেদের রণতরী মোতায়েন করেছে।

যৌথ টহলদারির খবরে তীব্র চাঞ্চল্য

যৌথ টহলদারির খবরে তীব্র চাঞ্চল্য

প্রসঙ্গত, এর আগে দক্ষিণ চিন সাগরে ভারত ও আমেরিকার যৌথ টহলদারির খবরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এশিয়া মহাদেশের বিশাল জলসীমায়। এই দক্ষিণ চিন সাগরকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে চিন। ভারত ও দক্ষিণ চিন সাগরে আমেরিকার বন্ধু রাষ্ট্রের উপর ক্রমেই আগ্রাসন বেড়েছে চিনের। এছাড়া আগে থেকেই করোনা নিয়ে বেজিংয়ের উপর খেপে ছিল ওয়াশিংয়ন। এবার এর ফল স্বরূপ, আমেরিকা পাল্টা চিনকে নিজেদের পেশী শক্তি দেখানো স্থির করল। আর এতেই প্রশান্ত মহাসাগর ও দক্ষিন চিন সাগরে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সমুদ্র নিয়ে চিনের দাবি

সমুদ্র নিয়ে চিনের দাবি

এদিকে চিনের দাবি, দক্ষিণ চিন সাগরে আমেরিকা বারবার দ্বন্দ্বে উস্কানি দিচ্ছে। দক্ষিণ চিন সাগর সংলগ্ন এলাকায় যে স্থিরতা রয়েছে, তা বিঘ্ন ঘটাতেই চেষ্টা করছে আমেরিকা। এমন দাবি নিয়েই আমেরিকার দক্ষিণ চিন সাগর সংক্রান্ত বার্তাকে নস্যাৎ করেছে বেজিং।

দক্ষিণ চিন সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে

দক্ষিণ চিন সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে

আদতে সম্পদ সমৃদ্ধ দক্ষিণ চিন সমুদ্র সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চিন সব সময়ই নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করেছে৷ 'ঐতিহাসিক অধিকারের' উপর ভিত্তি করে দক্ষিণ চিন সমুদ্রের উপর চিনের কর্তৃত্বকে ২০১৬ সালের সালিশির মাধ্যমে প্রত্যাখান করা হয়েছিল৷ কিন্তু তারপরও এই দক্ষিণ চিন সমুদ্রের উপর থেকে নিজেদের নজর সরায়নি চিন৷

দক্ষিণ চিন সাগরের বাণিজ্য রুট

দক্ষিণ চিন সাগরের বাণিজ্য রুট

দক্ষিণ চিন সমুদ্র বিশ্বের ব্যস্ততম সামুদ্রিক বাণিজ্য রুট৷ এই পথ দিয়ে বার্ষিক ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়৷ যার ফলে শুধুমাত্র ক্ষুদ্র প্রতিবেশী অঞ্চলগুলির উপর নয়, একাধিক দেশগুলির উপরও এই সামুদ্রিক বাণিজ্য রুটের প্রভাব রয়েছে৷ এছাড়া পূর্ব চিন সাগরে চিনের দাবিতেও ঝামেলায় পড়েছে আমেরিকা। উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সঙ্গে চিনের ইয়েলো সমুদ্র ও পূর্ব চিন সমুদ্রের অর্থনৈতিক জোনগুলি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে৷ তার উপরে চিন জাপানের সেনকাকু বা ডিয়াওইউ দ্বীপগুলির উপর কর্তৃত্ব দাবি করে৷ এই এলাকার মাধ্যমে আন্তঃঅঞ্চল ও বিশ্ব বাণিজ্য হয়৷ যার ফলে চিনের এই এলাকার উপর কর্তৃত্ব দাবি একাধিক দেশের উপর প্রভাব ফেলছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+