সিএএ-এর নাম বদল করলেই ধারণা পরিবর্তন হবে, দাবি ভারতীয় বংশোদ্ভুত প্রবাসীদের
সিএএ-এর নাম বদল করলেই ধারণা পরিবর্তন হবে, দাবি ভারতীয় বংশোদ্ভুত প্রবাসীদের
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ–এর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিলেন এক বিশিষ্ট ভারতীয় বংশোদ্ভুত মার্কিন নাগরিক। তিনি জানিয়েছেন, সিএএ–এর না হওয়া উচিত প্রতিবেশি নিপীড়িত ধর্মীয় সংখ্যালঘু শরণার্থী আইন। এই নামের আইন হলে তা সঠিক ধারণাকে প্রতিষ্ঠা করবে এবং কঠিন হবে একে চ্যালেঞ্জ জানানো।

ভারতে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যে বিক্ষোভ–প্রতিবাদ হচ্ছে তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই কথা বলেছেন ভারতের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও ভারতের অভিবাসী গবেষণার পরিচালক কান্দেরাও কান্ড। সংশোধীত নাগরিকত্ব আইন ও ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি নিয়ে ওয়াশিংটনের ভার্জিনিয়া সুবার্বে এক প্যানেল আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন কান্ড। সেখানেই তিনি এই প্রস্তাব দেন। তিনি সিএএকে শরণার্থী আইন বলে অভিহিত করে জানান যে এই নাম সঠিক ধারণাকে প্পতিষ্টিত করবে এবং বিরোধীরা সহজে এটাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে না। এই নামের অর্থই হল শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান এবং কারোর নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নেওয়া নয়। ভারতীয় বংশোদ্ভুত নিস্সিম রেউবেন, যিনি এশিয়া প্যাসিফিক প্রতিষ্ঠার আমেরিকান খিস্টান কমিটির সহ–পরিচালক, তিনি জানান, ভারতের অধিকার আছে পদক্ষেপ করার কিন্তু তা সঠিক ধারণা নিয়ে প্রতিষ্ঠা করুক। জনসচেতনতা প্রচারে অংশ নিতে ভারত ও ভারতীয় প্রবাসীদের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া উচিত সরকারের।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ তথা অভিবাসী–সংক্রান্ত বিষয়গুলি পরামর্শদাতা শান্ত গুপ্ত জানিয়েছেন যে ভারতের রাজনীতিতে প্রবাসীদের সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া উচিত। এই আলোচনায় কাশ্মীর ইস্যু নিয়েও বিভিন্ন মন্তব্য উঠে আসে বিশিষ্টজনদের কাছ থেকে। অনেকেই কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তিতে সরকারের সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি। এতে পরিস্থিতি আরও অস্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছে অনেকে।












Click it and Unblock the Notifications