পাকিস্তানকে চাপে ফেলতে মোদী-ট্রাম্প যা করলেন
ভারতীয় সময় তখন মধ্যরাত। আমেরিকায় সেসময়ে শুরু হয় নরেন্দ্র মোদী ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঐতিহাসিক বৈঠক। ট্রাম্প -মোদী বৈঠক শেষ হতে দুদেশের নেতাই একযোগে ,পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসকে একহাত নিলেন।
ভারতীয় সময় তখন মধ্যরাত। আমেরিকায় সেসময়ে শুরু হয় নরেন্দ্র মোদী ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঐতিহাসিক বৈঠক। যে বৈঠকের ঠিক আগেই , ততক্ষণে পাক মদতপুষ্ট হিজবুল জঙ্গি সৈয়দ সালাহউদ্দিনকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর তারপরই ট্রাম্প -মোদী বৈঠক শেষ হতে দুদেশের নেতাই একযোগে , পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসকে একহাত নিলেন।[সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে মার্কিন মাটিতে দাঁড়িয়ে সদর্পে যা জানালেন মোদী]
ট্রাম্প-মোদী বৈঠকের পর,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বারত দুদেশের তরফেই নাম না করে পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। দুদেশের বার্তায় স্পষ্ট যে, পাকিস্তানের মাটি জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ব্যবহার হলে ছে়ডে কথা বলবে না কোনও দেশই। পাশপাশি ২৬/১১ ও পাঠানকোট হামলার মূলচক্রীদের বিষয়ে পাকিস্তানকে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যও বার্তা দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, দুদেশের মধ্যে সংগঠিত হয়েছে একটি প্রতিরক্ষা বিষয়ক ড্রোন চুক্তিও।[মার্কিন মাটিতে মোদী পা রাখতেই উঠল 'ভারত মাতা কী জয়' স্লোগান]

বৈঠক শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান সন্ত্রাস দমন প্রসঙ্গই ছিল এই বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক। যৌথ বিবৃতিতে দুই রাষ্ট্রনেতার বক্তব্য, পাকিস্তানের মাটি যদি সন্ত্রাসের কাজে ব্যবহার হয় তাহলে তা সেদেশের পক্ষে খারাপ। পাকিস্তানকে এবিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে, যে সেদেশ যেন জঙ্গিদের আঁতুরঘর হিসাবে চিহ্নিত না হতে পারে। এরপরই স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়ে যে ২৬/১১ ও পাঠানকোট হামলার মূলচক্রীদের বিচার প্রক্রিয়ায় আনতে হবে পাকিস্তানকে।[পাকিস্তানের বুকে সন্ত্রাসের ঘাঁটি ভাঙতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক! সম্ভাবনা উস্কে দিল মার্কিন প্রশাসন]
মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ভারত মার্কিন দুদেশই সান্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি ভাঙতে সচেষ্ট। উগ্রপন্থী যেকোনও সংগঠনকে গুঁড়িয়ে দিতে বদ্ধপরিকর দুদেশ। তিনি বলেন, "ভারত-মার্কিন দুদেশই সন্ত্রাস দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সন্ত্রাসবাদকে ধ্বংস করতে আমরা বদ্ধ পরিকর। আমরা ইসলামি উগ্রপন্থাকে শেষ করব।'
এছাড়াও এই বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষার বিষয়ে আলোচনা হয়। জঙ্গি হামলায় জেরবার আফগানিস্তানের নিরাপত্তা নিয়েও কথা হয় দুই নেতার মধ্যে। উল্লেখ্য, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ছা়ডাও তালিবান ও আইএস আফগানিস্তানের ক্রমাগত সক্রিয় হয়ে উঠছে।












Click it and Unblock the Notifications