কারতারপুর সাহিবের সামনে হেড স্কার্ফ ছাড়াই মডেলিং! পাক- রাষ্ট্রদূতকে সমন ভারতের
কারতারপুর সাহিবের সামনে হেড স্কার্ফ ছাড়াই মডেলিং! পাক- রাষ্ট্রদূতকে সমন ভারতের
কার্তারপুর সাহিবের সামনে মডেলিং পাক মডেলের। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত। পাক রাষ্ট্রদূতকে সমন পাঠাল ভারত। একটি পাকিস্তানি পোশাকের ব্র্যান্ডের জন্য কার্তাপুর সাহিবে ফটোশ্যুট করানো হয়েছিল। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনির্বান বাগচি জানিয়েছেন, কার্তারপুর সাহিবে এভাবে পোশাকের বিজ্ঞাপনের ফটোশ্যুট করিয়ে গোটা বিশ্বের শিখ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত হেনেছে তারা। সেকারণেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

যদিও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তার জবাবে জানানো হয়েছে যে তারা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। এবং তাঁদের কাছে এরকমকোনও তথ্য ছিল না। কারা এই কাজটি করেছে সেটা খতিয়ে দেখা হবে। এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে। পাকিস্তানের নাম করা পোশাক প্রস্তুতকারক সংস্থা মন্নতের ফটোশ্যুট করা হয়েছিল এই কার্তারপর সাহিবের প্রেক্ষাপটে। কোনও রকম মাথা না ঢেেকই কার্তাপুর সাহিবে সামনে পোশাকের বিজ্ঞাপনের জন্য ছবি তুলেছিলেন পাক মডেল।
শিখ ধর্মমতে, যেকোনও গুরুদ্বারে ঢুকতে গেলে মাথা ঢেকে ঢুকতে হয়ে। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই নিয়ম মেনে চলেন। কিন্তু পাকিস্তানি পোশাক প্রস্তুত কারক এই সংস্থা কার্তারপুর সাহিবের প্রেক্ষাপটে যে ফটোশ্যুট করেছিলেন তাতে মডেলের মাথায় কোনও ওড়না বা ঢাকা ছিল না। যদিও ঘটনাটি নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই পোশাক প্রস্তুতকারক সংস্থাটি তাঁদের ওয়েবসাইট থেকে সেই পোশাকের বিজ্ঞাপনের সব ছবি সরিয়ে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী উসমান বুজদার এই নিয়ে মুখ্যসচিবের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছেন।
তারপরেই পাঞ্জাব প্রদেশের পুলিশের পক্ষ থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে তাঁরা পুরো ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং পোশাক প্রস্তুতকারক সংস্থা এবং মডেলের উপর তাঁরা নজর রেখে চলেছেন। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ফওয়াদ হুসেন টুইট করে পোশাক প্রস্তুত কারক সংস্থার ক্ষমা প্রার্থনা দাবি করেছেন। ইতিমধ্যেই যে মডেল কার্তারপুর সাহিবের সামনে মাথায় ঢাকা না দিয়ে পোশােকর ব্র্যান্ডের জন্য ফটোশ্যুট করেছিলেন তিনি তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে নিয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমি শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তাঁদের ধর্ম এবং বিশ্বাসকে পূর্ণরূপে সম্মান করি আমি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য করোনা সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ ২০ মাস বন্ধ ছিল কার্তাপুর সাহিব। গুরুনানক জয়ন্তী উপলক্ষ্যে কার্তারপুর সাহিবের দরজা খুলে দেওয়া হয়। বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন পাঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচনের কারণেই কার্তারপুর সাহিবের দরজা তরিঘড়ি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications