ভারত আমেরিকা 'শুল্ক যুদ্ধ', পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক ট্রাম্পের মন্ত্রীর! এরপরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বললেন...
তাহলে কি আমেরিকার অসহযোগীতার কাছে মাথা নত করতে বাধ্য হল ভারত। অন্তত, ট্রাম্পের কথার আভাস ধরলে এমনই ইঙ্গিত মেলে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুদিন আগেই অভিযোগ করেছিলেন যে, ভারত আমেরিকার ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করছে, যা মার্কিন পণ্য ভারতে বিক্রি করা কঠিন করে তুলছে। তবে, এবার তিনিই দাবি করেছেন যে ভারত এখন এই শুল্ক "অনেক কমাতে" সম্মত হয়েছে।
ট্রাম্পের অভিযোগ কী? ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করে বলেছিলেন, "ভারত বিশাল শুল্ক আরোপ করে, যা প্রায় "নিয়ন্ত্রণমূলক"। ভারতে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে, বাণিজ্য বাধা ও উচ্চ শুল্কের কারণে। ২ এপ্রিল থেকে আমেরিকাও পাল্টা সম পরিমাণ শুল্ক চাপাবে। পারস্পরিক শুল্ক কার্যকর হবে এবার থেকে।

বাণিজ্য আলোচনার পটভূমি
বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল তার প্রতিপক্ষ হাওয়ার্ড লুটনিকের সাথে বাণিজ্য সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। দীর্ঘ বৈঠক হয় শুল্ক নিয়ে। এরপরেই তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ট্রাম্পের এই মন্তব্য এসেছে। এই সপ্তাহে তৃতীয়বারের মতো ট্রাম্প ভারতের উচ্চ শুল্ক আরোপের সমালোচনা করেছেন। তবে তারই মধ্যে ট্রাম্পের মুখে শোনা গেল এই কথা।
ভারতের প্রতিক্রিয়া
ভারত ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রসঙ্গে জানিয়েছে যে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির অধীনে শুল্ক এবং অ-শুল্ক বাধা হ্রাসের পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, "বাণিজ্যকে আরও গভীর করতে ভারত-মার্কিন পারস্পরিক আলোচনা চলছে। শুল্ক ও অ-শুল্ক বাধা হ্রাস করা হবে, বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো হবে। সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নত করা হবে"।
তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রী গোয়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন এবং তার প্রতিপক্ষদের সাথে দেখা করেছেন এবং দুই সরকার বহু-ক্ষেত্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে রয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্কে আরও আলোচনা হতে পারে। শুল্ক ইস্যুতে সমঝোতা না হলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রভাবিত হতে পারে। তাই সেই পথে হাঁটতে চাইবে না কোনও দেশই। এই ইস্যুতে আগামী দিনে আরও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications